ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

জামালপুর : অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএনও নাজনীন আখতার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ৪৮ দিন ছাত্র কৃষক উদ্ভাবনী প্রকল্পের সাথে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ছাত্র কৃষক কমিটি, কৃষি অধিদপ্তর (DAE) এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও উপকরণ বিতরণ উপলক্ষে এক সভা ১৬ জুন, মঙ্গলবার জামালপুর সদর উপজেলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জামালপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ সানোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আক্তার।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামালপুরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা আক্তার, জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিমল জে. কোস্টা, উন্নয়ন সংঘ মানবসম্পদ পরিচালক ও মনিটরিং জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর এপির ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, শিক্ষকদের পক্ষে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ২০ জন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও নাজনীন আখতার প্রকল্পের সফলতা কামনা করে বলেন, এই প্রকল্প একটি মডেল হিসাবে তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে আধুনিক চাষাবাদ ও পুষ্টি জ্ঞান আহরণে সুযোগ পাবে। ঝুঁকিপূর্ণ সময় অতিক্রম করে তারা দেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে জানা যায়, শিক্ষার সাথে কৃষিকে একীভূত করার লক্ষ্যে এবং প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিবর্তনকারী প্রতিনিধি হিসাবে গড়ে তোলার জন্য প্রকল্পটি জামালপুর ও ইসলামপুর উপজেলাগুলোয় পরিচালিত হচ্ছে। এটি নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের জন্য পতিত জমিতে পুষ্টিকর বাগান এবং জলবায়ু-সহনশীল পদ্ধতিকে উৎসাহিত করে।

জামালপুর : অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক হাতে অংশ গ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এই প্রকল্পে পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবহার এবং বৈচিত্রময় খাবারের বিষয়ে প্রচার প্রচারণাও করবে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, কর্মশালা, এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ এবং শেফদের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে ক্যাম্পেইনটি পুষ্টিকর খাবার এবং তাদের উপকারিতা সম্পর্কে কমিউনিটিকে অবহিত করবে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানকে পরিবারের বাগানে স্থানান্তর করবে, পুষ্টি-স্মার্ট বাড়ি তৈরি করবে। এভাবে ব্যক্তি ও সম্প্রদায় পর্যায়ে খাদ্য উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্থানীয় ও আঞ্চলিক পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এই বহুমুখী পদ্ধতির মাধ্যমে, উদ্ভাবনী প্রকল্পটি শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে না বরং একটি নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত এর জন্য স্বাস্থ্যকর টেকসই চর্চার অনুশীলনে উৎসাহিত করবে।

উদ্ভাবনী প্রকল্পের লক্ষ্য সম্পর্কে জানা যায়, জৈব পুষ্টি বাগান করার মাধ্যমে পুষ্টিকর খাবার উৎপাদন প্রচারাভিযানে এই উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা তৈরি করা। সেইসাথে শিক্ষার্থী, পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টির জন্য গ্রহণ করন। বৈচিত্র্যময়, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা। শিশু নেতৃত্ব তৈরি এবং কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং খানা পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও সহনশীলতা তৈরি করা।

সবজি বিক্রির অর্থ দ্বারা তহবিল তৈরির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের খাতা, কলম এবং শিক্ষা উপকরণ উপবৃত্তি বিতরণ করা এবং শিশুদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে উদযাপন করা। প্রকল্পের সকল কার্যক্রম নারী-পুরুষ, কিশোরী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য ব্যক্তি সদস্য সমর্থক ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার মূল হাতিয়ার হিসেবে ছাত্রদের ক্ষমতায়ন করা। সংকট মোকাবেলায় জলবায়ু-সহনশীল স্মার্ট কৃষিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করণ এবং অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করা। নৈতিকতার সাথে তাদের ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের পাশাপাশি সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে জড়িত করা। স্থানীয় সরকার, সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা বিভাগ, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কার্যকর অংশদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র তার উপস্থাপনে কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন সম্পর্কে বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা বসতবাড়িতে জৈব সবজি চাষ এবং পুষ্টি বাগানের দিকে মনোযোগী হবে। বিদ্যালয়গামী শিশুদের মধ্যে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি কমাতে অবদান রাখবে। ৪৮ দিনের শিক্ষার্থী কৃষক বাস্তবায়ন কমিটি শাকসবজি বিক্রি করে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমর্থন করবে এবং এটি তাদের শিক্ষা উপকরণ প্রয়োজনীয়তা পরিচালনার জন্য সহায়ক হবে। শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমে যাবে।

সরকার ও স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য অংশীদারদের মেনে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি প্রকল্প চালানোর জন্য ছাত্রদের নেতৃত্বের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিশু সুরক্ষায় অবদান রাখবে।

শিশুরা তাদের নিজস্ব বাড়িতে পুষ্টি সবজি বাগানের প্রতিলিপি তৈরিতে আগ্রহী ও উৎসাহিত হবে। শিশুরা আড্ডা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে, নৈতিক কাজে নিয়োজিত থাকবে। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই উদ্যোগ অনুসরণ করবে।

স্থানীয় সরকার, সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা বিভাগ (উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর), বেসরকারি সংস্থা, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা হিসাবে জড়িত থাকবে, শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সুযোগ সৃষ্টি এবং শক্তিশালী হবে। গ্রামের যুবসমাজ উদ্বুদ্ধ হবে। টেকসইতাস্বরূপ পরিবেশ বান্ধব গ্রাম এবং স্থানীয় স্তরের বিদ্যালয় তহবিল তৈরিতে অবদান রাখবে।

জামালপুর : অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএনও নাজনীন আখতার। ছবি :বাংলারচিঠিডটকম

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

আপডেট সময় ১১:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ৪৮ দিন ছাত্র কৃষক উদ্ভাবনী প্রকল্পের সাথে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ছাত্র কৃষক কমিটি, কৃষি অধিদপ্তর (DAE) এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও উপকরণ বিতরণ উপলক্ষে এক সভা ১৬ জুন, মঙ্গলবার জামালপুর সদর উপজেলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জামালপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ সানোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আক্তার।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামালপুরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা আক্তার, জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিমল জে. কোস্টা, উন্নয়ন সংঘ মানবসম্পদ পরিচালক ও মনিটরিং জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর এপির ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, শিক্ষকদের পক্ষে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ২০ জন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও নাজনীন আখতার প্রকল্পের সফলতা কামনা করে বলেন, এই প্রকল্প একটি মডেল হিসাবে তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে আধুনিক চাষাবাদ ও পুষ্টি জ্ঞান আহরণে সুযোগ পাবে। ঝুঁকিপূর্ণ সময় অতিক্রম করে তারা দেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে জানা যায়, শিক্ষার সাথে কৃষিকে একীভূত করার লক্ষ্যে এবং প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিবর্তনকারী প্রতিনিধি হিসাবে গড়ে তোলার জন্য প্রকল্পটি জামালপুর ও ইসলামপুর উপজেলাগুলোয় পরিচালিত হচ্ছে। এটি নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের জন্য পতিত জমিতে পুষ্টিকর বাগান এবং জলবায়ু-সহনশীল পদ্ধতিকে উৎসাহিত করে।

জামালপুর : অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক হাতে অংশ গ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এই প্রকল্পে পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবহার এবং বৈচিত্রময় খাবারের বিষয়ে প্রচার প্রচারণাও করবে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, কর্মশালা, এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ এবং শেফদের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে ক্যাম্পেইনটি পুষ্টিকর খাবার এবং তাদের উপকারিতা সম্পর্কে কমিউনিটিকে অবহিত করবে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানকে পরিবারের বাগানে স্থানান্তর করবে, পুষ্টি-স্মার্ট বাড়ি তৈরি করবে। এভাবে ব্যক্তি ও সম্প্রদায় পর্যায়ে খাদ্য উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্থানীয় ও আঞ্চলিক পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এই বহুমুখী পদ্ধতির মাধ্যমে, উদ্ভাবনী প্রকল্পটি শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে না বরং একটি নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত এর জন্য স্বাস্থ্যকর টেকসই চর্চার অনুশীলনে উৎসাহিত করবে।

উদ্ভাবনী প্রকল্পের লক্ষ্য সম্পর্কে জানা যায়, জৈব পুষ্টি বাগান করার মাধ্যমে পুষ্টিকর খাবার উৎপাদন প্রচারাভিযানে এই উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা তৈরি করা। সেইসাথে শিক্ষার্থী, পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টির জন্য গ্রহণ করন। বৈচিত্র্যময়, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা। শিশু নেতৃত্ব তৈরি এবং কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং খানা পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও সহনশীলতা তৈরি করা।

সবজি বিক্রির অর্থ দ্বারা তহবিল তৈরির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের খাতা, কলম এবং শিক্ষা উপকরণ উপবৃত্তি বিতরণ করা এবং শিশুদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে উদযাপন করা। প্রকল্পের সকল কার্যক্রম নারী-পুরুষ, কিশোরী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য ব্যক্তি সদস্য সমর্থক ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার মূল হাতিয়ার হিসেবে ছাত্রদের ক্ষমতায়ন করা। সংকট মোকাবেলায় জলবায়ু-সহনশীল স্মার্ট কৃষিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করণ এবং অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করা। নৈতিকতার সাথে তাদের ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের পাশাপাশি সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে জড়িত করা। স্থানীয় সরকার, সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা বিভাগ, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কার্যকর অংশদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র তার উপস্থাপনে কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন সম্পর্কে বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা বসতবাড়িতে জৈব সবজি চাষ এবং পুষ্টি বাগানের দিকে মনোযোগী হবে। বিদ্যালয়গামী শিশুদের মধ্যে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি কমাতে অবদান রাখবে। ৪৮ দিনের শিক্ষার্থী কৃষক বাস্তবায়ন কমিটি শাকসবজি বিক্রি করে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমর্থন করবে এবং এটি তাদের শিক্ষা উপকরণ প্রয়োজনীয়তা পরিচালনার জন্য সহায়ক হবে। শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমে যাবে।

সরকার ও স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য অংশীদারদের মেনে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি প্রকল্প চালানোর জন্য ছাত্রদের নেতৃত্বের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিশু সুরক্ষায় অবদান রাখবে।

শিশুরা তাদের নিজস্ব বাড়িতে পুষ্টি সবজি বাগানের প্রতিলিপি তৈরিতে আগ্রহী ও উৎসাহিত হবে। শিশুরা আড্ডা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে, নৈতিক কাজে নিয়োজিত থাকবে। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই উদ্যোগ অনুসরণ করবে।

স্থানীয় সরকার, সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা বিভাগ (উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর), বেসরকারি সংস্থা, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা হিসাবে জড়িত থাকবে, শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সুযোগ সৃষ্টি এবং শক্তিশালী হবে। গ্রামের যুবসমাজ উদ্বুদ্ধ হবে। টেকসইতাস্বরূপ পরিবেশ বান্ধব গ্রাম এবং স্থানীয় স্তরের বিদ্যালয় তহবিল তৈরিতে অবদান রাখবে।

জামালপুর : অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএনও নাজনীন আখতার। ছবি :বাংলারচিঠিডটকম