ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

জামালপুর : গনসংযোগ ও লিফলেট করেন বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর পৌরসভার বাঘেরহাটা বটতলায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।

১৫ জুন, সোমবার রাতে জামালপুর পৌরসভার বাঘেরহাটা বটতলা থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত এ গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার যা বয়স হয়েছে এর তিন ভাগের দুই ভাগই আমি রাজনীতিতে ব্যয় করেছি। আমি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমি ১৯৮৭ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। আপনাদের কাছে অনেকবার এসেছি। বিভিন্ন এমপি, পৌরসভার মেয়রদের এবং চেয়ারম্যানদের জন্য ভোট চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আজকে আপনাদের কাছে আমি আমার নিজের জন্য দোয়া ও সমর্থন চাইতে এসেছি। আসছে নির্বাচনে আমি যদি মেয়র পদে মনোনয়ন পাই, আপনারা আমাকে যদি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে পৌরসভায় নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে খাদেম হিসাবে আপনাদের সেবা করে যাব। ছোট একটা ব্যবসা করি। সবসময় সৎপথে চলার চেষ্টা করি। কারও টাকা-পয়সা বা ধন-সম্পদ জোর করে বা মেরে খাওয়া আমার স্বভাব নয়।

ফিরোজ মিয়া বলেন, কেউ বলতে পারবে না আমি কারও কাছ থেকে দুই-চার পাঁচশত টাকা মেরে খেয়েছি। আপনাদের সাথে আমার আত্মার একটা সম্পর্ক আছে। আমি প্রথম রাজনীতি শুরু করেছি আমজাদ ভাইয়ের সাথে। আমজাদ ভাইয়ের হাত ধরে আমি রাজনীতি করতাম। আমজাদ ভাই আমাকে জিএস এবং যুবদলের নেতা বানিয়েছিলেন। আজ আমজাদ ভাই আমাদের মাঝে নেই। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন।

গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. জব্বার আলী, বর্তমান কমিটির সদস্য মো. মোস্তফা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক একরামুল হক, শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য নুর ইসলাম, মো. জীবন চাঁনু, রেজাউল করিম, জেলা মাইক্রোবাস চালক সমিতির সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজ ও জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ জেলা ও শহর যুবদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জেলা ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

আপডেট সময় ১০:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জামালপুর পৌরসভার বাঘেরহাটা বটতলায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।

১৫ জুন, সোমবার রাতে জামালপুর পৌরসভার বাঘেরহাটা বটতলা থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত এ গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার যা বয়স হয়েছে এর তিন ভাগের দুই ভাগই আমি রাজনীতিতে ব্যয় করেছি। আমি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমি ১৯৮৭ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। আপনাদের কাছে অনেকবার এসেছি। বিভিন্ন এমপি, পৌরসভার মেয়রদের এবং চেয়ারম্যানদের জন্য ভোট চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আজকে আপনাদের কাছে আমি আমার নিজের জন্য দোয়া ও সমর্থন চাইতে এসেছি। আসছে নির্বাচনে আমি যদি মেয়র পদে মনোনয়ন পাই, আপনারা আমাকে যদি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে পৌরসভায় নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে খাদেম হিসাবে আপনাদের সেবা করে যাব। ছোট একটা ব্যবসা করি। সবসময় সৎপথে চলার চেষ্টা করি। কারও টাকা-পয়সা বা ধন-সম্পদ জোর করে বা মেরে খাওয়া আমার স্বভাব নয়।

ফিরোজ মিয়া বলেন, কেউ বলতে পারবে না আমি কারও কাছ থেকে দুই-চার পাঁচশত টাকা মেরে খেয়েছি। আপনাদের সাথে আমার আত্মার একটা সম্পর্ক আছে। আমি প্রথম রাজনীতি শুরু করেছি আমজাদ ভাইয়ের সাথে। আমজাদ ভাইয়ের হাত ধরে আমি রাজনীতি করতাম। আমজাদ ভাই আমাকে জিএস এবং যুবদলের নেতা বানিয়েছিলেন। আজ আমজাদ ভাই আমাদের মাঝে নেই। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন।

গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. জব্বার আলী, বর্তমান কমিটির সদস্য মো. মোস্তফা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক একরামুল হক, শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য নুর ইসলাম, মো. জীবন চাঁনু, রেজাউল করিম, জেলা মাইক্রোবাস চালক সমিতির সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজ ও জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ জেলা ও শহর যুবদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জেলা ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।