সপ্তাহ পেরোলেও জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় একমাত্র ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না আসায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ইসলামপুরবাসী।
জানা গেছে, জামালপুর জেলা সদরে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন থাকলেও ইসলামপুর উপজেলায় একমাত্র ফিলিং স্টেশন ঝর্না ফিলিং স্টেশন। বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে থেকে ডিলার ও রিটেইলারদের বিক্রি বন্ধ করে শুধু মাত্র উপজেলায় গড়ে উঠা একটি ফিলিং স্টেশনের তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ উপজেলায় কৃষকের সেচপাম্প, নদী পথে চলাচলে ট্রলার, মোটরবাইক ও বিভিন্ন যানবাহনের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন জ্বালানি তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সপ্তাহ পেরোলেও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ তেল আনতে না পারায় কৃষক, বিভিন্ন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চাহিদা বিবেচনায় ফিলিং স্টেশনের বাইরেও কয়েকটি ডিলার পয়েন্ট থেকে তেল সরবরাহ করা গেলে অনেকটা দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
কৃষক রুবেল মিয়া বলেন, ডিজেলের কারণে বোরো আবাদি জমিতে সেচ দিতে না পারায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধি শামিম আহম্মেদ বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদের কোম্পনির দ্বায়িত্বের কারণে প্রায় ১০০ কিলোমিটার যাতাযাত করতে হয়। প্রায় সাতদিন ধরে তেল না আসায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছি।
শিক্ষক সৈয়দ মাসুদ রাজা বলেন, পেশাগত তাগিদে প্রতিনিয়ত আমাদের শিক্ষকদের অনেকটা পথ পারি দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। সপ্তাহে একবার তেল পাওয়া যায়। তাও আবার মাত্র ৩ লিটার থেকে ৫ লিটার। এতে ভোগান্তি রয়েই যায়। এছাড়াও তেল নিতে দিনব্যাপী দীর্ঘ অপেক্ষায় অনেক বিড়াম্বনার শিকার হতে হয়। যদি আরও কয়েকটি পয়েন্টে তেল সরবরাহ করা যেত তাহলে কিছুটা দুর্ভোগ লাঘব হত।
দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে জরুরি ভিত্তি একাধিক ডিলার পয়েন্ট থেকে তেল সরবরাহ করার দাবি জানান সুধী মহল।
ঝর্না ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা মূলত তেল পাচ্ছি না। চেষ্টা করতেছি দ্রুত সমাধান হবে।
লিয়াকত হোসাইন লায়ন : নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম 


















