ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন মাদারগঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত নান্দিনায় দশ ছাত্রের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন শিল্পপতি রাজিব সরকার শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সংলাপ কেন্দ্রের উদ্যোগে বাল্যবিয়েবিরোধী নাটিকা মঞ্চস্থ দেওয়ানগঞ্জে ভুল ড্রপে চোখের ক্ষতি, অভিযোগ স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জে মেশিনের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণে বিল পাস

জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি : ফাইল

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল  পাস হয়েছে।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি আজ সংসদে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

বিলে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিদ্যমান কিছু নিয়োগ বিধিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর নির্ধারিত থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। ফলে সব ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের কারণে বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি দেখা দেয়।

এই জটিলতা নিরসনে পরবর্তীতে সংশোধনী এনে ২০২৫ সালে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

বাংলাদেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন বলে বিলে উল্লেখ করা হয়।

বিলে আরও বলা হয়, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ বাড়বে, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে সহায়ক হবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-এ সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ কারণে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। সূত্র : বাসস

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণে বিল পাস

আপডেট সময় ০৯:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল  পাস হয়েছে।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি আজ সংসদে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

বিলে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিদ্যমান কিছু নিয়োগ বিধিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর নির্ধারিত থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। ফলে সব ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের কারণে বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি দেখা দেয়।

এই জটিলতা নিরসনে পরবর্তীতে সংশোধনী এনে ২০২৫ সালে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

বাংলাদেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন বলে বিলে উল্লেখ করা হয়।

বিলে আরও বলা হয়, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ বাড়বে, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে সহায়ক হবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-এ সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ কারণে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। সূত্র : বাসস