জামালপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন নিমতলা বয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের উদ্যোগে ঈদপুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ও প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা হয়। ২২ মার্চ, রবিবার জামালপুর শহরের অধুনালুপ্ত গৌরীপুর কাছারী মাঠ ও নবনির্মিত মডেল মসজিদ সংলগ্ন কাছারী শাহি ঈদগাহ মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
২২ মার্চ, রবিবার জামালপুর শহরের অধুনালুপ্ত গৌরীপুর কাছারী মাঠ ও নবনির্মিত মডেল মসজিদ সংলগ্ন কাছারী শাহি ঈদগাহ মাঠে সমবেত হন সাবেক ও এই প্রজন্মের খেলোয়াড় এবং এলাকার গণমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকাল ১০টায় শোভাযাত্রা বের হয় শোভাযাত্রা। শহর পদক্ষিণ করে ওই মাঠে গিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হয়।

পরে সেখাানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা ও প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার সংগঠক ও বাংলারচিঠিডটকম সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম।
বাংলারচিঠিডটকম সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী নিমতলা বয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনীর মাধ্যমে নবজাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে বুদ হয়ে থাকা এবং মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে তরুণ ও যুবসমাজকে রক্ষায় খেলা এবং সুস্থধারার বিনোদনের কোন বিকল্প নাই। নিজেদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে নতুন উদ্যমে আজ থেকে ফের যাত্রা শুরু হল নিমতলা বয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের। ক্লাবটিকে সমৃদ্ধ করতে সবাইকে নিয়ে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিমতলা বয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের সাবেক সদস্য খন্দকার মোরছালিন, মজিরুল খান, মোক্তাদিরু সেলিম, আরমান ও সেলিম মিয়া। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন পিয়াস ও হীরা।

উল্লেখ, স্বাধীনতার আগে থেকেই নিমতলা বয়েজ ক্রিকেট ক্লাব ক্রিকেট, ফুটবল খেলা থেকে শুরু করে সুস্থধারার সংস্কৃতিচর্চা করে আসছে। মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতিপল্লী স্থাপন করায় খেলার মাঠটি এখন আর নেই। এতে করে এই এলাকায় সব ধরনের খেলাধুলাও বন্ধ হয়ে গেছে। সম্প্রতি জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের সহযোগিতায় এবং এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন দখল হয়ে যাওয়া এবং পরিত্যক্ত স্থানটি উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘ ছয় বছর পর দয়াময়ীপাড়া, কাছারীপাড়া, বোসপাড়া, বসাকপাড়া, রানীগঞ্জ বাজার, মৃধাপাড়া এবং তৎসংলগ্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পরিত্যক্ত সাবেক মসজিদ ঘরটি ভাঙার পর এখানে তুলনামূলক ছোট হলেও একটি মাঠ তৈরি হবে। যেখানে ঈদের জামাত, জানাজা নামাজের পাশাপাশি স্থানীয় শিশু-কিশোর ও তরুণ-যুবকদের নিয়মিত খেলাধুলাচর্চা করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 



















