ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ যুবদলনেতা সোহেল রানা খানের উদ্যােগে খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পলাশতলায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির খাদ্য সহায়তা দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হলেন জেলায় শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল

জামালপুর : রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ড. আসিফ নজরুল। ছবি : সংগৃহীত

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সরকারের গণভোটের পক্ষে প্রচারণা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, বরং এটি সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ। সরকার সব দলের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইছি, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি জনগণের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের কল্যাণে করা হচ্ছে। আমরা কোন ভাণভনিতা করছি না। আমাদের লক্ষ্য সব দলের জন্য সমান- সকলেই যেন সংস্কারের পক্ষে থাকে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আগে অনুষ্ঠিত সব গণভোটে সরকার সবসময় একটি পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে কোন নতুন সরকার গঠিত হয় না।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনটি মূল কাজের উপর গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। আমরা সর্বদা সংস্কারের পক্ষে এডভোকেসি করে আসছি। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠন এবং জুলাই চাটার প্রণয়ন। সবই সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে হয়েছে।

আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য সংস্কার- সবার ক্ষেত্রে একই। তিনি আরও বলেন, গত দুই-তিন দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘না’ প্রচারণা বেড়ে গেছে, কিন্তু যে কাউকে এই প্রচারণা থেকে বিরত রাখার কোন অধিকার সরকারের নেই। এটি মানুষের বিবেকের বিষয়।

আইন উপদেষ্টা জানান, গণভোটে সরকারের উদ্যোগগুলো সংবিধান ও আইনগতভাবে সুরক্ষিত। আর্টিকেল ৪৬-এ সংবিধানগত সুরক্ষা থাকায় কেউ দুষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে আইনগত চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না।

তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার বিষয়েও জোর দেন। আমরা চাই গণভোট যেন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং জনগণের আস্থা অর্জনকারী হয়। কোন বিতর্ক তৈরি হলে তা স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সমাধান হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সরকারের গণভোটের পক্ষে প্রচারণা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, বরং এটি সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ। সরকার সব দলের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইছি, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি জনগণের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের কল্যাণে করা হচ্ছে। আমরা কোন ভাণভনিতা করছি না। আমাদের লক্ষ্য সব দলের জন্য সমান- সকলেই যেন সংস্কারের পক্ষে থাকে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আগে অনুষ্ঠিত সব গণভোটে সরকার সবসময় একটি পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে কোন নতুন সরকার গঠিত হয় না।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনটি মূল কাজের উপর গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। আমরা সর্বদা সংস্কারের পক্ষে এডভোকেসি করে আসছি। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠন এবং জুলাই চাটার প্রণয়ন। সবই সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে হয়েছে।

আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য সংস্কার- সবার ক্ষেত্রে একই। তিনি আরও বলেন, গত দুই-তিন দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘না’ প্রচারণা বেড়ে গেছে, কিন্তু যে কাউকে এই প্রচারণা থেকে বিরত রাখার কোন অধিকার সরকারের নেই। এটি মানুষের বিবেকের বিষয়।

আইন উপদেষ্টা জানান, গণভোটে সরকারের উদ্যোগগুলো সংবিধান ও আইনগতভাবে সুরক্ষিত। আর্টিকেল ৪৬-এ সংবিধানগত সুরক্ষা থাকায় কেউ দুষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে আইনগত চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না।

তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার বিষয়েও জোর দেন। আমরা চাই গণভোট যেন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং জনগণের আস্থা অর্জনকারী হয়। কোন বিতর্ক তৈরি হলে তা স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সমাধান হবে।