ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ দেশের জন্য গর্বের বিষয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শসা চাষে বদলাচ্ছে মাদারগঞ্জের কৃষকের ভাগ্য সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : বকশীগঞ্জে ড্রেজার, ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ ডিবির অভিযানে ডলার প্রতারক চক্রের সদস্য আটক বকশীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ মাদারগঞ্জে জীবন্ত পাখি খাদক সাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ :

হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

দেওয়ানগঞ্জ : হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রিরচর হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। পদত্যাগের কারণ হিসাবে তিনি ‘ব্যক্তিগত অসুস্থতা’ উল্লেখ করেছেন।

১০ জুলাই, রবিবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই, বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বেশ কিছু অসংগতি ও আর্থিক অনিয়ম তার নজরে আসে। এ সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে আর্থিক হিসাবের সঠিক নথিপত্র ও ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান ববিন মূলত: ওই বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি.এম.এ. রহিম অবসরে যাওয়ার পর তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাবের কেবল খসড়া সংরক্ষণ করতেন। এমনকি চলতি বছরের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাবই সংরক্ষণ করা হয়নি। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবেও কোনো অর্থ জমা দেওয়া হয়নি।

এই বিষয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র এই প্রতিবেদককে বলেন, সম্প্রতি ইউএনও মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন,​ বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ :

হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

আপডেট সময় ১০:২১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রিরচর হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। পদত্যাগের কারণ হিসাবে তিনি ‘ব্যক্তিগত অসুস্থতা’ উল্লেখ করেছেন।

১০ জুলাই, রবিবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই, বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বেশ কিছু অসংগতি ও আর্থিক অনিয়ম তার নজরে আসে। এ সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে আর্থিক হিসাবের সঠিক নথিপত্র ও ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান ববিন মূলত: ওই বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি.এম.এ. রহিম অবসরে যাওয়ার পর তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাবের কেবল খসড়া সংরক্ষণ করতেন। এমনকি চলতি বছরের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাবই সংরক্ষণ করা হয়নি। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবেও কোনো অর্থ জমা দেওয়া হয়নি।

এই বিষয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র এই প্রতিবেদককে বলেন, সম্প্রতি ইউএনও মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন,​ বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।