ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ যুবদলনেতা সোহেল রানা খানের উদ্যােগে খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পলাশতলায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির খাদ্য সহায়তা দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হলেন জেলায় শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ :

হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

দেওয়ানগঞ্জ : হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রিরচর হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। পদত্যাগের কারণ হিসাবে তিনি ‘ব্যক্তিগত অসুস্থতা’ উল্লেখ করেছেন।

১০ জুলাই, রবিবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই, বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বেশ কিছু অসংগতি ও আর্থিক অনিয়ম তার নজরে আসে। এ সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে আর্থিক হিসাবের সঠিক নথিপত্র ও ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান ববিন মূলত: ওই বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি.এম.এ. রহিম অবসরে যাওয়ার পর তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাবের কেবল খসড়া সংরক্ষণ করতেন। এমনকি চলতি বছরের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাবই সংরক্ষণ করা হয়নি। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবেও কোনো অর্থ জমা দেওয়া হয়নি।

এই বিষয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র এই প্রতিবেদককে বলেন, সম্প্রতি ইউএনও মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন,​ বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ :

হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

আপডেট সময় ১০:২১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডিগ্রিরচর হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিন। পদত্যাগের কারণ হিসাবে তিনি ‘ব্যক্তিগত অসুস্থতা’ উল্লেখ করেছেন।

১০ জুলাই, রবিবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই, বুধবার ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নথিপত্র পর্যালোচনার সময় বেশ কিছু অসংগতি ও আর্থিক অনিয়ম তার নজরে আসে। এ সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে আর্থিক হিসাবের সঠিক নথিপত্র ও ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান ববিন মূলত: ওই বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জি.এম.এ. রহিম অবসরে যাওয়ার পর তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাবের কেবল খসড়া সংরক্ষণ করতেন। এমনকি চলতি বছরের কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাবই সংরক্ষণ করা হয়নি। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবেও কোনো অর্থ জমা দেওয়া হয়নি।

এই বিষয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ববিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সজল কুমার ভদ্র এই প্রতিবেদককে বলেন, সম্প্রতি ইউএনও মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সময় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন,​ বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।