ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে জামালপুর থেকে ঢাকায় বিএনপির ৩০ হাজার নেতাকর্মী

জামালপুর : ট্রেনে ঢাকায় যাওয়ার জন্য জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে জামালপুর থেকে ঢাকায় যান বিএনপির প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মী। ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই নেতা-কর্মীরা ঢাকায় যেতে শুরু করেন।

৩০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এরপর থেকেই জামালপুরের সাতটি উপজেলা থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে জামালপুর জেলা থেকে প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পারেন বলে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জামালপুর টাউন রেলওয়ে জংশন স্টেশন ছাড়াও অন্যান্য রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্ত:নগর তিস্তা এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, বেসরকারি দুটি কমিউটার ট্রেনে করে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ঢাকায় যান।

ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব জানান, দেশনেত্রীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার জানাজায় অংশ নিতে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নেতা-কর্মীরা ট্রেন, বাসযোগে ইতিমধ্যে রওনা হন। ইসলামপুর উপজেলা থেকে প্রায় ছয় হাজার নেতা-কর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

জামালপুর : বাসে ঢাকায় যাওয়ার জন্য জামালপুর কেন্দ্রীয় বাসটারমিনালে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর-৫ সদর আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশ ও জনগণের স্বার্থে কখনো আপস করেননি। এ কারণে তিনি আপসহীন নেত্রী হিসাবে আখ্যায়িত হয়ে জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তার মৃত্যু বাংলাদেশ ও রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যুতে দলীয় নেতা-কর্মীসহ দেশের সাধারণ মানুষ গভীরভাবে শোকাহত। সারা জেলা থেকে বাস, মাইক্রোবাস ও ট্রেনে করে প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় যান। বিএনপির পক্ষ থেকে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল, শোক বই খোলা, কালো ব্যাজ ধারণসহ সাত দিনব্যাপী শোকাবহ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ৩১ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে জামালপুর থেকে ঢাকায় বিএনপির ৩০ হাজার নেতাকর্মী

আপডেট সময় ১০:১৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে জামালপুর থেকে ঢাকায় যান বিএনপির প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মী। ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই নেতা-কর্মীরা ঢাকায় যেতে শুরু করেন।

৩০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এরপর থেকেই জামালপুরের সাতটি উপজেলা থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে জামালপুর জেলা থেকে প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পারেন বলে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জামালপুর টাউন রেলওয়ে জংশন স্টেশন ছাড়াও অন্যান্য রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্ত:নগর তিস্তা এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, বেসরকারি দুটি কমিউটার ট্রেনে করে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ঢাকায় যান।

ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব জানান, দেশনেত্রীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার জানাজায় অংশ নিতে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নেতা-কর্মীরা ট্রেন, বাসযোগে ইতিমধ্যে রওনা হন। ইসলামপুর উপজেলা থেকে প্রায় ছয় হাজার নেতা-কর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

জামালপুর : বাসে ঢাকায় যাওয়ার জন্য জামালপুর কেন্দ্রীয় বাসটারমিনালে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর-৫ সদর আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশ ও জনগণের স্বার্থে কখনো আপস করেননি। এ কারণে তিনি আপসহীন নেত্রী হিসাবে আখ্যায়িত হয়ে জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তার মৃত্যু বাংলাদেশ ও রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যুতে দলীয় নেতা-কর্মীসহ দেশের সাধারণ মানুষ গভীরভাবে শোকাহত। সারা জেলা থেকে বাস, মাইক্রোবাস ও ট্রেনে করে প্রায় ৩০ হাজার নেতা-কর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় যান। বিএনপির পক্ষ থেকে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল, শোক বই খোলা, কালো ব্যাজ ধারণসহ সাত দিনব্যাপী শোকাবহ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ৩১ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।