ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর ঘটনায় জামালপুরে পৃথক তিনটি স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুর শহরের দয়াময়ী মোড়, পাঁচরাস্তা ও ফৌজদারী মোড়ে বিক্ষোভ করে সাধারণ ছাত্র-জনতা।
রাতে শরিফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে শহরের দয়াময়ী এলাকায় জড়ো হয় ছাত্র-জনতা। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রধক্ষিণ করে বকুলতলা মোড়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে বিক্ষুদ্ধরা।

এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক মীর ইসহাক হাসান ইখলাসের সভাপতিত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার সাবেক সমন্বয়ক নুরুল ইসলাম নুর, নাফিস আলম দিয়া, আহনামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় মীর ইসহাক হাসান ইখলাস বলেন, প্রকাশ্যে জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদীকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা শরিফ ওসমান আল হাদীর খুনিকে ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ ও হাদী হত্যার বিচার দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে একই দাবিতে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি পাঁচরাস্তা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।
এছাড়াও শহরের ফৌজদারি মোড়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়কে অবস্থান নেন এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি ও সাধারণ ছাত্র-জনতা। এ সময় তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আসমাউল আসিফ : নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম 



















