ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণের খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে এমপি’র গাড়ি ভাংচুর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফিরোজ মিয়া’র উঠান বৈঠক সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্ত করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভোরে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করে। সেদিন পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকারেরা পালিয়ে যান।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা তারিকুজ্জামান বলেন, ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে দেওয়ানগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করার পর জিলবাংলা চিনিকল, দেওয়ানগঞ্জ কো-অপারেটিভ হাইস্কুল ও এ কে এম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে সেদিন দেওয়ানগঞ্জের আপামর জনতা খুশিতে রাস্তায় নেমে আসেন। সকলের মুখে সেদিন বিজয়ের স্লোগানে মুখরিত হয়েছিল দেওয়ানগঞ্জের আকাশ বাতাস।

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবসে নানা কর্মসূচি পালন করে দেওয়ানগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিগত বছরের ন্যায় এবারও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ১০:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্ত করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভোরে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করে। সেদিন পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকারেরা পালিয়ে যান।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা তারিকুজ্জামান বলেন, ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে দেওয়ানগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করার পর জিলবাংলা চিনিকল, দেওয়ানগঞ্জ কো-অপারেটিভ হাইস্কুল ও এ কে এম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে সেদিন দেওয়ানগঞ্জের আপামর জনতা খুশিতে রাস্তায় নেমে আসেন। সকলের মুখে সেদিন বিজয়ের স্লোগানে মুখরিত হয়েছিল দেওয়ানগঞ্জের আকাশ বাতাস।

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবসে নানা কর্মসূচি পালন করে দেওয়ানগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিগত বছরের ন্যায় এবারও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।