ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারগঞ্জে ট্রলি-বাইসাইকেল সংঘর্ষে পা বিছিন্ন কিশোর নাইমের মৃত্যু

মাদারগঞ্জ : চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নাইম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইট বোঝাই ট্রলি ও বাইসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে পা বিচ্ছিন্ন নাইম (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ জুলাই, বুধবার দিবাগত রাতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকালে গুনারীতলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শহিদুল্লাহ গুরুতর আহত নাইমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নাইম উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের বাকুরচর এলাকার রাঙা মিয়ার ছেলে। সে ট্রলির হেলপার ছিলেন।

জানা গেছে, ৯ জুলাই দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী বাজারের দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি ইট বোঝাই ট্রলি কালারবাড়ী মোড় এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাইসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাইমের বাম পা হাঁটু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত নাইমকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এরপর নাইমকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। ১৬ জুলাই দিবাগত রাতে নাইম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। এ দুর্ঘটনায় বাইসাইকেল চালাক জাকিরুল ইসলামের অণ্ডকোষ ফেটে যায় এবং ট্রলি চালাক শিপন গুরুতর আহত হন। আহত জাকিরুল ও শিপন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কমল সরকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ৯ জুলাই ট্রলি ও বাইসাইকেল সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ জুলাই রাতে নাইম মারা যান। এ ঘটনায় ট্রলি-বাইসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে ট্রলি-বাইসাইকেল সংঘর্ষে পা বিছিন্ন কিশোর নাইমের মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইট বোঝাই ট্রলি ও বাইসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে পা বিচ্ছিন্ন নাইম (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ জুলাই, বুধবার দিবাগত রাতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকালে গুনারীতলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শহিদুল্লাহ গুরুতর আহত নাইমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নাইম উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের বাকুরচর এলাকার রাঙা মিয়ার ছেলে। সে ট্রলির হেলপার ছিলেন।

জানা গেছে, ৯ জুলাই দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী বাজারের দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি ইট বোঝাই ট্রলি কালারবাড়ী মোড় এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাইসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাইমের বাম পা হাঁটু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত নাইমকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এরপর নাইমকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। ১৬ জুলাই দিবাগত রাতে নাইম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। এ দুর্ঘটনায় বাইসাইকেল চালাক জাকিরুল ইসলামের অণ্ডকোষ ফেটে যায় এবং ট্রলি চালাক শিপন গুরুতর আহত হন। আহত জাকিরুল ও শিপন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কমল সরকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ৯ জুলাই ট্রলি ও বাইসাইকেল সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ জুলাই রাতে নাইম মারা যান। এ ঘটনায় ট্রলি-বাইসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেননি।