ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেয়ার পরিকল্পনা বিমানের : মিল্লাত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম এপেক্স ক্লাব অব শেরপুরের ৩য় পালাবদল অনুষ্ঠিত মুসলিমাবাদে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে পোড়ানো হয় চায়না রিং জাল আড়াইশ’ অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণে ম্যারাথন অনুষ্ঠিত জামালপুরে বিএনপি’র কর্মী সভা অনুষ্ঠিত সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামালপুরে রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং ও পার্সেল বুকিং কাউন্টারসহ বিভিন্ন কক্ষে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের দু’জন উপসহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল। ২৮ মে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান চলে।

দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জিহাদুল ইসলাম ও মো. আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ জামালপুর সদর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

তারা স্টেশন মাস্টারের কক্ষ, টিকিট বুকিং কাউন্টার, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রী বিশ্রামাগার, পার্সেল বুকিং কক্ষ, বিশুদ্ধ পানির কর্ণারসহ স্টেশন সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দুদকের কর্মকর্তারা জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. আক্তারুজ্জামানের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন  অভিযোগের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশনের পার্সেল বুকিং কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখানে যাত্রী বেশে আসি। আমাদের একজন সহকর্মীকে দিয়ে যাত্রী বেশে ফোনে পণ্য বুকিং বিষয়ে কথা বলাই। পার্সেল বুকিং সহকারী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা বিল চেয়েছেন। পরে দুদকের পরিচয়ে দিলে সুর বদলিয়ে ১৫শ’ টাকা বিল চায়। আমাদের সহকর্মী সেই বক্তব্য রেকর্ড করে রাখে। পার্সেল বুকিং কক্ষে ওজন মাপার মেশিন নেই দীর্ঘ দিন ধরে। কোন পণ্য না মেপেই বুকিং করে থাকে। এই পার্সেল বুকিং কক্ষ ব্যবস্থাপনায় আরও অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান চালিয়ে এই স্টেশনের বিভিন্ন কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বেশ কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছি।বিশেষ করে অতিরিক্ত চার্জ আদায় ও পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হবে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেয়ার পরিকল্পনা বিমানের : মিল্লাত

জামালপুরে রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় ১০:২২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং ও পার্সেল বুকিং কাউন্টারসহ বিভিন্ন কক্ষে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের দু’জন উপসহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল। ২৮ মে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান চলে।

দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জিহাদুল ইসলাম ও মো. আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ জামালপুর সদর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

তারা স্টেশন মাস্টারের কক্ষ, টিকিট বুকিং কাউন্টার, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রী বিশ্রামাগার, পার্সেল বুকিং কক্ষ, বিশুদ্ধ পানির কর্ণারসহ স্টেশন সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দুদকের কর্মকর্তারা জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. আক্তারুজ্জামানের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন  অভিযোগের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশনের পার্সেল বুকিং কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখানে যাত্রী বেশে আসি। আমাদের একজন সহকর্মীকে দিয়ে যাত্রী বেশে ফোনে পণ্য বুকিং বিষয়ে কথা বলাই। পার্সেল বুকিং সহকারী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা বিল চেয়েছেন। পরে দুদকের পরিচয়ে দিলে সুর বদলিয়ে ১৫শ’ টাকা বিল চায়। আমাদের সহকর্মী সেই বক্তব্য রেকর্ড করে রাখে। পার্সেল বুকিং কক্ষে ওজন মাপার মেশিন নেই দীর্ঘ দিন ধরে। কোন পণ্য না মেপেই বুকিং করে থাকে। এই পার্সেল বুকিং কক্ষ ব্যবস্থাপনায় আরও অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান চালিয়ে এই স্টেশনের বিভিন্ন কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বেশ কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছি।বিশেষ করে অতিরিক্ত চার্জ আদায় ও পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হবে।’