ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদাস করে বাবার স্মৃতি জামালপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু চায় মাদারগঞ্জবাসী মাদকবিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ক্রীড়া সংস্থা একাদশের বিজয় মাদারগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী মুক্তা চৌধুরী, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এপেক্স ক্লাব অব শেরপুরের ৩য় পালাবদল অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জের গারো পাহাড় থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ জামালপুরে পঞ্চগ্রাম ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাহাদুরাবাদ-বালাসি রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন

জামালপুরে রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং ও পার্সেল বুকিং কাউন্টারসহ বিভিন্ন কক্ষে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের দু’জন উপসহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল। ২৮ মে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান চলে।

দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জিহাদুল ইসলাম ও মো. আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ জামালপুর সদর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

তারা স্টেশন মাস্টারের কক্ষ, টিকিট বুকিং কাউন্টার, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রী বিশ্রামাগার, পার্সেল বুকিং কক্ষ, বিশুদ্ধ পানির কর্ণারসহ স্টেশন সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দুদকের কর্মকর্তারা জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. আক্তারুজ্জামানের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন  অভিযোগের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশনের পার্সেল বুকিং কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখানে যাত্রী বেশে আসি। আমাদের একজন সহকর্মীকে দিয়ে যাত্রী বেশে ফোনে পণ্য বুকিং বিষয়ে কথা বলাই। পার্সেল বুকিং সহকারী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা বিল চেয়েছেন। পরে দুদকের পরিচয়ে দিলে সুর বদলিয়ে ১৫শ’ টাকা বিল চায়। আমাদের সহকর্মী সেই বক্তব্য রেকর্ড করে রাখে। পার্সেল বুকিং কক্ষে ওজন মাপার মেশিন নেই দীর্ঘ দিন ধরে। কোন পণ্য না মেপেই বুকিং করে থাকে। এই পার্সেল বুকিং কক্ষ ব্যবস্থাপনায় আরও অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান চালিয়ে এই স্টেশনের বিভিন্ন কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বেশ কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছি।বিশেষ করে অতিরিক্ত চার্জ আদায় ও পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হবে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

উদাস করে বাবার স্মৃতি

জামালপুরে রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় ১০:২২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং ও পার্সেল বুকিং কাউন্টারসহ বিভিন্ন কক্ষে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের দু’জন উপসহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল। ২৮ মে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান চলে।

দুদক সমন্বিত জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জিহাদুল ইসলাম ও মো. আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ জামালপুর সদর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

তারা স্টেশন মাস্টারের কক্ষ, টিকিট বুকিং কাউন্টার, প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রী বিশ্রামাগার, পার্সেল বুকিং কক্ষ, বিশুদ্ধ পানির কর্ণারসহ স্টেশন সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দুদকের কর্মকর্তারা জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. আক্তারুজ্জামানের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন  অভিযোগের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

জামালপুর : রেলওয়ে স্টেশনের পার্সেল বুকিং কার্যালয়ে দুদকের তদন্ত দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখানে যাত্রী বেশে আসি। আমাদের একজন সহকর্মীকে দিয়ে যাত্রী বেশে ফোনে পণ্য বুকিং বিষয়ে কথা বলাই। পার্সেল বুকিং সহকারী তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা বিল চেয়েছেন। পরে দুদকের পরিচয়ে দিলে সুর বদলিয়ে ১৫শ’ টাকা বিল চায়। আমাদের সহকর্মী সেই বক্তব্য রেকর্ড করে রাখে। পার্সেল বুকিং কক্ষে ওজন মাপার মেশিন নেই দীর্ঘ দিন ধরে। কোন পণ্য না মেপেই বুকিং করে থাকে। এই পার্সেল বুকিং কক্ষ ব্যবস্থাপনায় আরও অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান চালিয়ে এই স্টেশনের বিভিন্ন কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বেশ কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছি।বিশেষ করে অতিরিক্ত চার্জ আদায় ও পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হবে।’