জামালপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ বলেছেন, জামালপুর জেলা বিএনপির রাজনীতি আপনারা জানেন। এখানে দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে। আমরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে বিশ্বাসী না। আমরা ঐক্যবদ্ধ বিএনপি চাই। খন্ড খন্ড বিএনপি চাই না।
১৮ মার্চ মঙ্গলবার জামালপুর পৌরসভার কম্পপুর এলাকার বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের ব্যানারে স্থানীয় কম্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপিনেতা শামীম আহমেদ এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিনেতা আমজাদ হোসেন ভোলা মল্লিক, সিরাজুল হক, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, নিলোফার ইয়াসমিন চৌধুরী মনি, এই সমস্ত নেতৃবৃন্দের পরামর্শে তাদের নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ বিএনপি চাই। আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে উদাত্ত আহ্বান থাকলো- জামালপুরের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সাহেবের পরামর্শে জামালপুর জেলা বিএনপির স্বচ্ছ একটি কমিটি চাই। ইনশাআল্লাহ আমরা পাবো। আমরা আশাবাদী।
শামীম আহমেদ বলেন, এই কম্পপুর এলাকার সবাই আমাকে চিনেন। জামালপুর জেলা বিএনপির আমরাও একটি অংশ। আজকে আপনাদের সম্মানে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন যারা করেছেন তাদের প্রত্যেকের নাম এই ব্যানারে আছে। যারা ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করছেন। আমার পক্ষ থেকে তাদেরকে সবাইকেই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আজকে বক্তব্য একটাই আপনাদেরকে সুসংগঠিত হতে হবে। এই ইফতার মাহফিল যেমন সুন্দর সুসংগঠিতভাবে করছেন। সেভাবেই সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। আরও শৃংখলাবোধ হতে হবে। আমার নেতা এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত আমাকে অনেক স্নেহ করেন। উনি সারা বাংলাদেশের বিএনপির কোষাধ্যক্ষ। দল যদি ক্ষমতায় যায়। নিশ্চয় উনি ভালো একটি মন্ত্রিত্ব পাবেন।
শামীম আহমেদ বলেন, কম্পপুরে আমার শৈশব, কৈশোর, যৌবন কাটিয়েছি। অনেক মুরুব্বি, মা-বোন এখানে আছেন। তারা আমাকে কোলে নিয়েছেন। আদর করেছেন। আজকে সময় এসেছে আপনাদের জন্য কিছু করার। আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর। আমি মনে করি এটাই আমার নৈতিক দায়িত্ব। যদি এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সাহেব ভালো একটি পদ পান। তাহলে আপনাদের আর চিন্তা করতে হবে না। এই মাঠে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সাহেব আপনাদের সাথে অবশ্যই আগামীতে আপনাদের ইফতার মাহফিলে যোগদান করবেন।
বক্তব্যের শেষের দিকে শামীম আহমেদ বলেন, জামালপুর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা খান আমার ছোটভাই। তিনি মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। আপনারা উনার জন্য দোয়া করবেন। উনি যেন প্রার্থী হিসাবে দল থেকে মনোনয়ন পান। আক্তারুজ্জামানও কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। আপনারা তাদের জন্য দোয়া করবেন।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভা শেষে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাতে অংশ নেন। পরে সবাই ইফতারে শরিক হন। দোয়া ও ইফতার মাহফিলে কম্পপুর এলাকার বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার নারী, পুরুষ, শিশু, এতিমসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

জামালপুর জেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান জিলানীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা বিএনপির সদস্য মো. মোশারফ হোসেন খান, মো. জেলা বিএনপির সদস্য আনিছুর রহমান আনিছ, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. একরাম হোসেন হিরো, জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফজলুল হক, যুবনেতা মো. সাইদুর রহমান সাঈদ, যুবনেতা মো. হাবীবুর রহমান হাবীর, যুবনেতা মো. আছলাম আহম্মেদ, যুবনেতা মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ, যুবনেতা মো. শেখ ফরিদ, ছাত্রনেতা মো. শাকিব আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও দোয়া ও ইফতার মাহফিলে জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি মনোয়ার হোসেন লিয়ন, মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মহব্বত হোসেন, শহর বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক শেখ ফরিদ মামুন, সদর থানা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. মাইনুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী, কৃষকদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, শহর যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শফিক, যুবদল নেতা আবু আশিক মল্লিক বাবু, খাইরুল ইসলাম লিয়ন, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রানা ম্যানশন, কামরুল হাসান কাবুল, আবু তালহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন সরকার, তথ্য ও গবেষণা সহ-সম্পাদক মোর্শেদ আলম, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইফতেখার আলী শাহ ফকির মুরাদ, ঢাকা তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রাজা সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর, বাংলারচিঠিডটকম 



















