ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

আপডেট সময় ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।