ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি আইন, ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন শেরপুরে ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে ৩০০ দরিদ্র পরিবার পেল দানের মাঝে আনন্দ : মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

আপডেট সময় ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।