ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের পরলোক গমন

আপডেট সময় ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘আমি বাংলায় গান গাই’’ এই কালজয়ী গানের বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন।

হাসপাতাল ও প্রয়াত শিল্পীর কন্যার উদ্বৃতি দিয়ে শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত বিভিন্ন গণমাধ্যম।

বরিশালে জন্ম নেয়া এই বাঙ্গালি শিল্পীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। সেই সঙ্গে আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পরে কলকাতায় চলে যান তার বাবা।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কণ্ঠে এ গান আজও মানুষের মুখে-মুখে ফেরে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’, ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’,‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’,‘সেই মেয়েটি’,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’-এর মতো গানও শ্রোতাদেরকে বার-বার আন্দোলিত করেছে। প্রতুল মুখোপাধ্যায় চলে গেলেও বাঙ্গালি শ্রোতা যতদিন থাকবে, ততদিন তার গা অনুরণন হবে।সূত্র:বাসস।