ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

গভীর রাতে ইউএনও’র কাছ থেকে কম্বল পেয়ে খুশি ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষেরা

গভীর রাতে শীতার্ততের কাছে গিয়ে কম্বল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুণ কৃঞ্চ পাল।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গভীর রাতে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুণ কৃঞ্চ পাল।

২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার পিংনা নরপাড়া, আমতলা মোড়, আওনার জগনাথগঞ্জ ঘাট, রেলওয়ে স্টেশন চত্বর, তারাকান্দি চৌরাস্তা, ঝালুপাড়া ও আরামনগর বাজার এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, কনকনে ঠাণ্ডায় চরম কষ্টে পড়েছে সরিষাবাড়ী উপজেলার অসহায়, গরিব-দুঃখী, ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষ। এসব শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গভীর রাতে কম্বল নিয়ে হাজির হয়েছেন ইউএনও অরুণ কৃষ্ণ পাল। এমন কনকনে শীতের মধ্যে হঠাৎ রাতের আঁধারে যখন ইউএনওর হাতে কম্বল দেখে ছিন্নমূল অসহায় মানুষেরা আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন। এসময় কম্বল পেয়ে খুশি সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষেরা।

আরামনগর বাজারের নৈশপ্রহরী রবিউল ইসলাম, আব্দুস সালাম, দোকানদার মান্নানসহ আরও অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে রাত জেগে নৈশপ্রহরীর দ্বায়িত্ব পালন করে আসছি। বেতনের টাকা দিয়ে খাবার কিনতেই চলে যায়। গরীব মানুষ আমরা। শীতের কাপড় কিনবো কিভাবে। অনেক কষ্ট হয় শীতের মধ্যে। এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো শীতের বস্ত্র পাইনি। নতুন ইউএনও গভীর রাতে এসে আমাদের কম্বল দিয়ে গেলো। কিছুটা হলেও তাদের কষ্ট দূর হবে বলে জানান তারা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুণ কৃষ্ণ পাল বলেন, সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীতেও শীত জেঁকে বসেছে। এই শীতে কোনো দুঃস্থ মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য সরকার তাদের জন্য কম্বল পাঠিয়েছে। আর সরকারের বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র নিয়ে তাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। এভাবেই শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

গভীর রাতে ইউএনও’র কাছ থেকে কম্বল পেয়ে খুশি ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষেরা

আপডেট সময় ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গভীর রাতে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুণ কৃঞ্চ পাল।

২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার পিংনা নরপাড়া, আমতলা মোড়, আওনার জগনাথগঞ্জ ঘাট, রেলওয়ে স্টেশন চত্বর, তারাকান্দি চৌরাস্তা, ঝালুপাড়া ও আরামনগর বাজার এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, কনকনে ঠাণ্ডায় চরম কষ্টে পড়েছে সরিষাবাড়ী উপজেলার অসহায়, গরিব-দুঃখী, ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষ। এসব শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গভীর রাতে কম্বল নিয়ে হাজির হয়েছেন ইউএনও অরুণ কৃষ্ণ পাল। এমন কনকনে শীতের মধ্যে হঠাৎ রাতের আঁধারে যখন ইউএনওর হাতে কম্বল দেখে ছিন্নমূল অসহায় মানুষেরা আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন। এসময় কম্বল পেয়ে খুশি সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষেরা।

আরামনগর বাজারের নৈশপ্রহরী রবিউল ইসলাম, আব্দুস সালাম, দোকানদার মান্নানসহ আরও অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে রাত জেগে নৈশপ্রহরীর দ্বায়িত্ব পালন করে আসছি। বেতনের টাকা দিয়ে খাবার কিনতেই চলে যায়। গরীব মানুষ আমরা। শীতের কাপড় কিনবো কিভাবে। অনেক কষ্ট হয় শীতের মধ্যে। এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো শীতের বস্ত্র পাইনি। নতুন ইউএনও গভীর রাতে এসে আমাদের কম্বল দিয়ে গেলো। কিছুটা হলেও তাদের কষ্ট দূর হবে বলে জানান তারা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুণ কৃষ্ণ পাল বলেন, সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীতেও শীত জেঁকে বসেছে। এই শীতে কোনো দুঃস্থ মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য সরকার তাদের জন্য কম্বল পাঠিয়েছে। আর সরকারের বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র নিয়ে তাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। এভাবেই শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।