ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু, দাদি আহত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামী নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে রাজিব বাসচাপায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত, আহত ২০ শিশুবান্ধব সমাজ গঠনই হোক আমাদের অঙ্গীকার : সংসদ সদস্য মামুন মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের ড্রাম কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ, ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু মাদারগঞ্জে কিশোরী রূপসী হত্যা : প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর অপহরণ করে ধর্ষণ, ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।