ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সংলাপ, গঠিত হল মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্ক জামালপুরে শিক্ষার্থী অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ইসলামপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পেল নতুন পোশাক একাত্তর টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে হয়ে গেল ঘুড়ি উৎসব মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে : সংস্কৃতি মন্ত্রী

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।