ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাটারা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনর্মিলনী ও প্রাক্তন শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত জামালপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ইসলামপুরে এসিড নিক্ষেপ করে ডাকাতি, দম্পতি গুরুতর আহত ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তামাক নির্মূলে সমন্বিত প্রয়াস চালানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলের আর্থিক সহায়তা পেল দরিদ্ররা   বজ্রপাতে মুদি দোকানে অগ্নিকাণ্ড পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাটারা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনর্মিলনী ও প্রাক্তন শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।