ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার হাসপাতালে বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষায় অংশ নেয়া নোভিদ পেল জিপিএ-৫ ইসলামপুরে ৯ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে ৩ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বৈলডাঙ্গা বিলের প্রকৃতিতে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।