ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি

বকশীগঞ্জে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য আইনজীবী নাজমুল হক সাঈদী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তান্ডবে নিহত শহিদদের স্মরণে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ২৮ অক্টোবর সোমবার জামালপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বাংলারচিঠিডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদকদের পাঠানো সংবাদগুলো তুলে ধরা হলো।

জামালপুর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান মুক্তা জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার আমীর আইনজীবী আছিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আকন্দ মোকাদ্দেছ আলীর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার আমীর মওলানা আব্দুস সাত্তার।

জামালপুরে সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার আমীর মওলানা আব্দুস সাত্তার। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি আইনজীবী আব্দুল আওয়াল, সহকারী সেক্রেটারি আইনজীবী সুলতান মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সদস্য গোলাম কিবরিয়া, জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার প্রচার সম্পাদক মো. আল মাসুম, জামায়াতে ইসলামী সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা কুদরতে খুদা, ছাত্র শিবির জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি আহমদ সালমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি করা, এহকাল এবং পরকাল লাভের যে ব্যবস্থা রয়েছে শুধুমাত্র ইসলামের মধ্যে। সুতরাং ইসলামী জনতাকে আজকে মুসলমানদের আবার জেগে উঠতে হবে দ্বীনের প্রতিষ্ঠার জন্য। আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা যারা মুসলমান তারা অন্যায় এবং বৈষম্যের সাথে কোন আপোষ আমরা করি না।

তারা আরও বলেন, আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে দাবি জানাই, সে অতীতের থেকে শুরু করে যারাই এ খুন, গুম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে এবং তাদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

জামায়াতে ইসলামী ইসলামপুর উপজেলা শাখার প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ইসলামপুর উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক লিয়াকত হোসেন লায়ন জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলামপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে পৌর শহরের আশরাফুল উলুম মাদরাসা মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি থানা মোড় বটতলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান। এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা খন্দকার লিয়াকত, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আহসানুল্লাহসহ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ ও সংগঠনের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যায় ডাক বাংলো মাঠে প্রজেক্টরের মাধ্যমে লগি বৈঠার তান্ডবের ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শনী করা হয়।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু জানান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে বকশীগঞ্জ পুরাতন বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য আইনজীবী নাজমুল হক সাঈদী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর টিম প্রধান শফিকুল্লাহ বিএসসির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের বায়তুল মাল বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ছামিউল হক।

সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মওলানা সাজ্জাদ হোসাইনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মওলানা আদেল ইবনে আউয়াল, উপজেলা বায়তুল মাল বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল আজিজ, উপজেলা জামায়াতের টিম সদস্য আবুল কালাম আজাদ, পৌর জামায়াতের আমীর মওলানা আবদুল মতিন, পৌর সেক্রেটারী রাশেদুল ইসলাম রাশেদী, মেরুরচর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি এহসান আলী, উপজেলা ছাত্র শিবিবের সভাপতি রবিউল ইসলাম রিশাদ, সেক্রেটারি রেজুয়ান হাসান প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিবাদ সভা শেষে ২৮ অক্টোবর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক তারেক মাহমুদ জানান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য এবং জামালপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজমুল হক সাঈদী। আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা সামিউল হক, উপজেলা সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশে নাজমুল হক সাঈদী বলেন, ২০০৬ সালের আজকের দিনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শত শত জামাত শিবির নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করেছে। তারা শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা নিহত লাশের উপর নৃত্য করেছে। আমরা সেই সময় শত বিচার চেয়েও কোন হত্যাকান্ডের বিচার পাইনি, বিচারের পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। তিনি সেদিনের সকল হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেন। এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল অপকর্ম অবৈধ কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

সমাবেশের শেষে নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি

আপডেট সময় ০৮:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তান্ডবে নিহত শহিদদের স্মরণে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ২৮ অক্টোবর সোমবার জামালপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বাংলারচিঠিডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদকদের পাঠানো সংবাদগুলো তুলে ধরা হলো।

জামালপুর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান মুক্তা জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার আমীর আইনজীবী আছিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আকন্দ মোকাদ্দেছ আলীর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার আমীর মওলানা আব্দুস সাত্তার।

জামালপুরে সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার আমীর মওলানা আব্দুস সাত্তার। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি আইনজীবী আব্দুল আওয়াল, সহকারী সেক্রেটারি আইনজীবী সুলতান মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সদস্য গোলাম কিবরিয়া, জামায়াতে ইসলামী জামালপুর শহর শাখার প্রচার সম্পাদক মো. আল মাসুম, জামায়াতে ইসলামী সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা কুদরতে খুদা, ছাত্র শিবির জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি আহমদ সালমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি করা, এহকাল এবং পরকাল লাভের যে ব্যবস্থা রয়েছে শুধুমাত্র ইসলামের মধ্যে। সুতরাং ইসলামী জনতাকে আজকে মুসলমানদের আবার জেগে উঠতে হবে দ্বীনের প্রতিষ্ঠার জন্য। আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা যারা মুসলমান তারা অন্যায় এবং বৈষম্যের সাথে কোন আপোষ আমরা করি না।

তারা আরও বলেন, আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে দাবি জানাই, সে অতীতের থেকে শুরু করে যারাই এ খুন, গুম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে এবং তাদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

জামায়াতে ইসলামী ইসলামপুর উপজেলা শাখার প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ইসলামপুর উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক লিয়াকত হোসেন লায়ন জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলামপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে পৌর শহরের আশরাফুল উলুম মাদরাসা মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি থানা মোড় বটতলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান। এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা খন্দকার লিয়াকত, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আহসানুল্লাহসহ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ ও সংগঠনের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যায় ডাক বাংলো মাঠে প্রজেক্টরের মাধ্যমে লগি বৈঠার তান্ডবের ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শনী করা হয়।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু জানান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকালে বকশীগঞ্জ পুরাতন বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য আইনজীবী নাজমুল হক সাঈদী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর টিম প্রধান শফিকুল্লাহ বিএসসির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের বায়তুল মাল বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ছামিউল হক।

সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মওলানা সাজ্জাদ হোসাইনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মওলানা আদেল ইবনে আউয়াল, উপজেলা বায়তুল মাল বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল আজিজ, উপজেলা জামায়াতের টিম সদস্য আবুল কালাম আজাদ, পৌর জামায়াতের আমীর মওলানা আবদুল মতিন, পৌর সেক্রেটারী রাশেদুল ইসলাম রাশেদী, মেরুরচর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি এহসান আলী, উপজেলা ছাত্র শিবিবের সভাপতি রবিউল ইসলাম রিশাদ, সেক্রেটারি রেজুয়ান হাসান প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিবাদ সভা শেষে ২৮ অক্টোবর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নিজস্ব প্রতিবেদক তারেক মাহমুদ জানান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য এবং জামালপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজমুল হক সাঈদী। আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা সামিউল হক, উপজেলা সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশে নাজমুল হক সাঈদী বলেন, ২০০৬ সালের আজকের দিনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শত শত জামাত শিবির নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করেছে। তারা শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা নিহত লাশের উপর নৃত্য করেছে। আমরা সেই সময় শত বিচার চেয়েও কোন হত্যাকান্ডের বিচার পাইনি, বিচারের পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। তিনি সেদিনের সকল হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেন। এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল অপকর্ম অবৈধ কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

সমাবেশের শেষে নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।