ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের বাজার উদ্বোধন

ন্যায্য মূল্যে কৃষকের বাজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও দীপ জন মিত্র ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ন্যায্য মূল্যে কৃষকের বাজার উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে (মুক্তমঞ্চে) এ বাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্র।

এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অনিক রহমান, যায়যায়দিনের সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলুসহ ক্রেতা ও বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও দীপ জন মিত্র বলেন, এ ন্যায্য মূল্যের বাজারটা মূলত কৃষকের। কৃষক সরাসরি তার উৎপাদিত পণ্য (সবজি) এ বাজারে নিয়ে আসছে এবং ক্রেতারাও সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পণ্য (সবজি) ক্রয় করতে পারছে। এখানে কোন তৃতীয় ব্যক্তি নেই। তাই কৃষকও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে, ক্রেতারাও সঠিক দামে ক্রয় করতে পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা বাজারের জায়গাটা তৈরি করে দিয়েছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের বাজার উদ্বোধন

আপডেট সময় ১২:১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

শেরপুরের নকলায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ন্যায্য মূল্যে কৃষকের বাজার উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে (মুক্তমঞ্চে) এ বাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্র।

এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অনিক রহমান, যায়যায়দিনের সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলুসহ ক্রেতা ও বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও দীপ জন মিত্র বলেন, এ ন্যায্য মূল্যের বাজারটা মূলত কৃষকের। কৃষক সরাসরি তার উৎপাদিত পণ্য (সবজি) এ বাজারে নিয়ে আসছে এবং ক্রেতারাও সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পণ্য (সবজি) ক্রয় করতে পারছে। এখানে কোন তৃতীয় ব্যক্তি নেই। তাই কৃষকও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে, ক্রেতারাও সঠিক দামে ক্রয় করতে পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা বাজারের জায়গাটা তৈরি করে দিয়েছি।