ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হলেন আফ্রিদি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির নাম ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আফ্রিদির আগে আসন্ন আসরের শুভেচ্ছদূত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মারকুটে ব্যাটার ক্রিস গেইল, ভারতের অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং ও কিংবদন্তি স্প্রিন্টার জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট।

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৬টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন আফ্রিদি। এরমধ্যে দু’টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের ফাইনাল খেলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ৯১ রানের পাশাপাশি ১২ উইকেট শিকার করে আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন পাকিস্তানী আফ্রিদি।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতে পাকিস্তান। আসরের ফাইনালে লর্ডসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের ৮ উইকেটের জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন আফ্রিদি। বল হাতে ২০ রানে ১ উইকেট শিকারের পর ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে আসরের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন আফ্রিদি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের শুভেচ্ছাদূত হয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ে অন্তরে গাঁধা আছে। প্রথম আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এবং ২০০৯ সালে দ্বিতীয় আসরে শিরোপা জয় করা আমার ক্যারিয়ারের প্রিয় কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন এই মঞ্চে খেলার মাধ্যমে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। আর এমন একটি বিশ্বকাপের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। যেখানে আমরা অনেকগুলো দল, অনেক ম্যাচ এবং অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি নাটকীয় ঘটনা দেখবো।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৯ জুন নিউ ইয়র্কে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। ঐ ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন আফ্রিদি, ‘‘আমি বিশেষ করে ৯ জুন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি খেলাধুলার বড় দ্বৈরথগুলোর একটি। শক্তিশালী দুই দলের লড়াইয়ের মঞ্চ হবে নিউ ইয়র্ক।’

আপলোডকারীর তথ্য

দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হলেন আফ্রিদি

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির নাম ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আফ্রিদির আগে আসন্ন আসরের শুভেচ্ছদূত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মারকুটে ব্যাটার ক্রিস গেইল, ভারতের অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং ও কিংবদন্তি স্প্রিন্টার জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট।

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৬টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন আফ্রিদি। এরমধ্যে দু’টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের ফাইনাল খেলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ৯১ রানের পাশাপাশি ১২ উইকেট শিকার করে আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন পাকিস্তানী আফ্রিদি।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতে পাকিস্তান। আসরের ফাইনালে লর্ডসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের ৮ উইকেটের জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন আফ্রিদি। বল হাতে ২০ রানে ১ উইকেট শিকারের পর ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে আসরের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন আফ্রিদি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের শুভেচ্ছাদূত হয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ে অন্তরে গাঁধা আছে। প্রথম আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এবং ২০০৯ সালে দ্বিতীয় আসরে শিরোপা জয় করা আমার ক্যারিয়ারের প্রিয় কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন এই মঞ্চে খেলার মাধ্যমে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। আর এমন একটি বিশ্বকাপের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। যেখানে আমরা অনেকগুলো দল, অনেক ম্যাচ এবং অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি নাটকীয় ঘটনা দেখবো।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৯ জুন নিউ ইয়র্কে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। ঐ ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন আফ্রিদি, ‘‘আমি বিশেষ করে ৯ জুন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি খেলাধুলার বড় দ্বৈরথগুলোর একটি। শক্তিশালী দুই দলের লড়াইয়ের মঞ্চ হবে নিউ ইয়র্ক।’