ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হলেন আফ্রিদি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির নাম ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আফ্রিদির আগে আসন্ন আসরের শুভেচ্ছদূত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মারকুটে ব্যাটার ক্রিস গেইল, ভারতের অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং ও কিংবদন্তি স্প্রিন্টার জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট।

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৬টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন আফ্রিদি। এরমধ্যে দু’টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের ফাইনাল খেলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ৯১ রানের পাশাপাশি ১২ উইকেট শিকার করে আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন পাকিস্তানী আফ্রিদি।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতে পাকিস্তান। আসরের ফাইনালে লর্ডসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের ৮ উইকেটের জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন আফ্রিদি। বল হাতে ২০ রানে ১ উইকেট শিকারের পর ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে আসরের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন আফ্রিদি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের শুভেচ্ছাদূত হয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ে অন্তরে গাঁধা আছে। প্রথম আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এবং ২০০৯ সালে দ্বিতীয় আসরে শিরোপা জয় করা আমার ক্যারিয়ারের প্রিয় কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন এই মঞ্চে খেলার মাধ্যমে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। আর এমন একটি বিশ্বকাপের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। যেখানে আমরা অনেকগুলো দল, অনেক ম্যাচ এবং অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি নাটকীয় ঘটনা দেখবো।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৯ জুন নিউ ইয়র্কে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। ঐ ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন আফ্রিদি, ‘‘আমি বিশেষ করে ৯ জুন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি খেলাধুলার বড় দ্বৈরথগুলোর একটি। শক্তিশালী দুই দলের লড়াইয়ের মঞ্চ হবে নিউ ইয়র্ক।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হলেন আফ্রিদি

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির নাম ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আফ্রিদির আগে আসন্ন আসরের শুভেচ্ছদূত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মারকুটে ব্যাটার ক্রিস গেইল, ভারতের অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং ও কিংবদন্তি স্প্রিন্টার জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট।

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৬টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন আফ্রিদি। এরমধ্যে দু’টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের ফাইনাল খেলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ৯১ রানের পাশাপাশি ১২ উইকেট শিকার করে আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন পাকিস্তানী আফ্রিদি।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতে পাকিস্তান। আসরের ফাইনালে লর্ডসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের ৮ উইকেটের জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন আফ্রিদি। বল হাতে ২০ রানে ১ উইকেট শিকারের পর ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে আসরের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন আফ্রিদি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের শুভেচ্ছাদূত হয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ে অন্তরে গাঁধা আছে। প্রথম আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এবং ২০০৯ সালে দ্বিতীয় আসরে শিরোপা জয় করা আমার ক্যারিয়ারের প্রিয় কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন এই মঞ্চে খেলার মাধ্যমে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। আর এমন একটি বিশ্বকাপের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। যেখানে আমরা অনেকগুলো দল, অনেক ম্যাচ এবং অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি নাটকীয় ঘটনা দেখবো।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৯ জুন নিউ ইয়র্কে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। ঐ ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন আফ্রিদি, ‘‘আমি বিশেষ করে ৯ জুন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি খেলাধুলার বড় দ্বৈরথগুলোর একটি। শক্তিশালী দুই দলের লড়াইয়ের মঞ্চ হবে নিউ ইয়র্ক।’