ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী মাদারগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী : জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যােগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসমুক্ত হবে জঙ্গল সলিমপুর, এখনই কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিঞ্জিরাম নদে শিশু নিখোঁজ ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নরুন্দিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিতে দেশবিরোধী ও ঘৃণার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হিসেবে আজকের অগ্রগতি অব্যাহত রেখে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের ঠিকানায় যদি বাংলাদেশকে পৌঁছাতে হয় তাহলে দেশবিরোধী ও ঘৃণার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশটাই যারা চায়নি, সেই জামায়াতে ইসলামী দেশের পতাকার বিরুদ্ধে চারতারার পতাকার পক্ষে যুদ্ধ করেছিলো পাকিস্তানিদের দোসর হয়ে। তাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে, তাদেরকে আঁচলের তলায় ছায়া দিয়ে, তাদেরকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করা যদি বন্ধ না হয়, দেশকে আমরা স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে পারবো না।’

মন্ত্রী ১৩ আগস্ট বিকেলে রাজধানীতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এ দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত সরকারের অধীনেই সেক্টর কমান্ডাররা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, বেতন পেতেন। জিয়াউর রহমানও ৪শ’ টাকা বেতন নিতেন। ঐতিহাসিক সত্যটা হচ্ছে এই যে, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলো এবং তার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণটা পাকিস্তানিদের সহযোগী হিসেবে ছিলো, ঘটনাপ্রবাহ তাই প্রমাণ করে।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের সবচেয়ে বড় বেনিফিসিয়ারি হচ্ছে জিয়া ও তার পরিবার। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথে ওতোপ্রোতভাবে যুক্ত তার প্রমাণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর খন্দকার মোশতাক তার আস্থাভাজন বলেই জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীর প্রধান নিয়োগ করেছিলেন। জিয়া বঙ্গবন্ধুর সমস্ত হত্যাকারীদের বিদেশে দূতাবাসে চাকরি দিয়ে দেশ ত্যাগের সুযোগ করে দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করার জন্য জারি করা ইনডেমনেটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দিতে ১৯৭৯ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে সেটিকে আইনে রূপান্তরিত করার জন্য সরকারি দলের পক্ষে প্রস্তাব এনে সেই আইন পাশ করা হয়েছিলো।’

ইতিহাসের সত্যগুলো তুলে ধরতে গেলে কিছু কথা বলতে হয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মানুষ বিএনপিতে যোগদান করেছিলো। বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডকে উপহাস করার উদ্দেশ্যে ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালন করতেন। মির্জা ফখরুল সাহেবের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তার বাবাও একজন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানুষ ছিলেন, স্বাধীনতার পর কিছু দিন আত্মগোপনে ছিলেন।’

জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সাবেক মন্ত্রী এ. বি তাজুল ইসলাম এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।

আপলোডকারীর তথ্য

ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের

দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিতে দেশবিরোধী ও ঘৃণার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হিসেবে আজকের অগ্রগতি অব্যাহত রেখে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের ঠিকানায় যদি বাংলাদেশকে পৌঁছাতে হয় তাহলে দেশবিরোধী ও ঘৃণার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশটাই যারা চায়নি, সেই জামায়াতে ইসলামী দেশের পতাকার বিরুদ্ধে চারতারার পতাকার পক্ষে যুদ্ধ করেছিলো পাকিস্তানিদের দোসর হয়ে। তাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে, তাদেরকে আঁচলের তলায় ছায়া দিয়ে, তাদেরকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করা যদি বন্ধ না হয়, দেশকে আমরা স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে পারবো না।’

মন্ত্রী ১৩ আগস্ট বিকেলে রাজধানীতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এ দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত সরকারের অধীনেই সেক্টর কমান্ডাররা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, বেতন পেতেন। জিয়াউর রহমানও ৪শ’ টাকা বেতন নিতেন। ঐতিহাসিক সত্যটা হচ্ছে এই যে, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলো এবং তার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণটা পাকিস্তানিদের সহযোগী হিসেবে ছিলো, ঘটনাপ্রবাহ তাই প্রমাণ করে।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের সবচেয়ে বড় বেনিফিসিয়ারি হচ্ছে জিয়া ও তার পরিবার। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথে ওতোপ্রোতভাবে যুক্ত তার প্রমাণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর খন্দকার মোশতাক তার আস্থাভাজন বলেই জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীর প্রধান নিয়োগ করেছিলেন। জিয়া বঙ্গবন্ধুর সমস্ত হত্যাকারীদের বিদেশে দূতাবাসে চাকরি দিয়ে দেশ ত্যাগের সুযোগ করে দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করার জন্য জারি করা ইনডেমনেটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দিতে ১৯৭৯ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে সেটিকে আইনে রূপান্তরিত করার জন্য সরকারি দলের পক্ষে প্রস্তাব এনে সেই আইন পাশ করা হয়েছিলো।’

ইতিহাসের সত্যগুলো তুলে ধরতে গেলে কিছু কথা বলতে হয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মানুষ বিএনপিতে যোগদান করেছিলো। বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডকে উপহাস করার উদ্দেশ্যে ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালন করতেন। মির্জা ফখরুল সাহেবের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তার বাবাও একজন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানুষ ছিলেন, স্বাধীনতার পর কিছু দিন আত্মগোপনে ছিলেন।’

জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সাবেক মন্ত্রী এ. বি তাজুল ইসলাম এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।