ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী জুনের মধ্যে আখাউড়া-আগরতলা রেল লাইন চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে নির্মাণাধীন আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত নতুন রেললাইন আগামী জুনের মধ্যে চালু হবে।

মন্ত্রী ১১ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শনের সময় আগরতলা সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকায় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘উভয় দেশের জন্য আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন সংযোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনটি চালু হলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, পাশাপাশি মানুষ সহজে দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারবে। অধিকাংশ কাজই সম্পন্ন হয়েছে এখন যতটুকু কাজ আছে আশা করা যায় জুনের মধ্যে তারা সম্পন্ন করতে পারবে।’

আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকল্পটি আজ পরিদর্শন করেছি। ওই প্রকল্পের অগ্রগতিও সন্তোষজনক। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ১৭ কিলোমিটার রেল লাইন যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে কিছু জায়গা কাজ স্থগিত রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনের সময় কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে বাধা দেওয়া আছে সে অংশটি রেখে বাকি অংশের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আখাউড়া-আগরতলা রেল লাইন প্রকল্পটি ভারতীয় অনুদানে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৭ শতাংশ।

পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, লাকসাম -আখাউড়া প্রকল্পের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ও আখাউড়া – আগরতলা প্রকল্পের পরিচালক আবু জাফর মিয়াসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

আগামী জুনের মধ্যে আখাউড়া-আগরতলা রেল লাইন চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে নির্মাণাধীন আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত নতুন রেললাইন আগামী জুনের মধ্যে চালু হবে।

মন্ত্রী ১১ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শনের সময় আগরতলা সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকায় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘উভয় দেশের জন্য আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন সংযোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনটি চালু হলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, পাশাপাশি মানুষ সহজে দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারবে। অধিকাংশ কাজই সম্পন্ন হয়েছে এখন যতটুকু কাজ আছে আশা করা যায় জুনের মধ্যে তারা সম্পন্ন করতে পারবে।’

আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকল্পটি আজ পরিদর্শন করেছি। ওই প্রকল্পের অগ্রগতিও সন্তোষজনক। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ১৭ কিলোমিটার রেল লাইন যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে কিছু জায়গা কাজ স্থগিত রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনের সময় কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে বাধা দেওয়া আছে সে অংশটি রেখে বাকি অংশের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আখাউড়া-আগরতলা রেল লাইন প্রকল্পটি ভারতীয় অনুদানে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৭ শতাংশ।

পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, লাকসাম -আখাউড়া প্রকল্পের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ও আখাউড়া – আগরতলা প্রকল্পের পরিচালক আবু জাফর মিয়াসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।