ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের উপায় খুঁজতে আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন দূতদের সঙ্গে জেলেনস্কির আলোচনা জেলেনস্কির সমালোচনায় ট্রাম্প, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই মাদারগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্ব কালবেলাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া মামুন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’ দিলীপ কুমার আর নেই

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভারতীয় সিনেমার স্বর্ণযুগের কিংবদন্তী অভিনেতা, বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’ হিসেবে খ্যাত দিলীপ কুমার আর নেই। তার বয়স হয়েছিলো ৯৮ বছর।

৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ের পি ডি হিন্দুজা হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে তার পারিবারিক বন্ধু ফয়সাল ফারুকি লেখেন, বিষণ্ন হৃদয় এবং গভীর দু:খের সঙ্গে আমি আমাদের প্রিয় দিলীপ সাহেবের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করছি। কয়েক মিনিট আগে তিনি মারা গেছেন।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৯ জুন থেকে এ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন দিলীপ কুমার। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় তিনি দীর্ঘদিন ভুগছিলেন।

বলিউডে প্রায় ছয় দশকের ক্যারিয়ারে ‘আন্দাজ’, ‘আন’, ‘ক্রান্তি’, ‘শক্তি’, ‘কারমা’, ‘সওদাগর’, ‘দেবদাস’ এবং ‘মুঘল-এ-আজম’সহ বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

দিলীপ কুমারের জন্ম ১৯২২ সালে অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে। তার পারিবারিক নাম ইউসুফ খান। তিনি পাঠানদের অন্যতম গোত্র আওয়ান পরিবারের সন্তান। তারা ছিলেন ১২ ভাইবোন। বাবার নাম লালা গুলাম সরোয়ার। বাবা ছিলেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। ফলের জমজমাট ব্যবসা ছিল তার।

ত্রিশের দশকের শেষ দিকে ইউসুফ খানের পরিবার স্থায়ীভাবে মুম্বাইয়ে বসবাস শুরু করে। সেখানে তিনি একটি ক্যান্টিন চালাতেন এবং স্থানীয় বাজারে শুকনো ফল সরবরাহ করতেন।

পরবর্তী জীবনে তিনি সিনেমায় জড়িয়ে যান। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘জোয়ার ভাটা’ মুক্তি পায় ১৯৪৪ সালে।

দিলীপ কুমার ১৯৬৬ সালে বলিউডের আরেক সাড়া জাগানো অভিনেত্রী সায়রা বানুকে বিয়ে করেন ।

তিনি দীর্ঘ অভিনয় জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। সেরা অভিনেতার পুরস্কার হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার পেয়েছেন আটবার। মনোনীত হয়েছেন ১৯ বার। ফিল্ম ফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ১৯৯৩ সালে। ১৯৮০ সালে মুম্বাই শহরের সাম্মানিক শেরিফ পদটি অলংকৃত করেন তিনি।

ভারত সরকার চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তাকে পদ্মভূষণ ও দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননায় ভূষিত করে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা

বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’ দিলীপ কুমার আর নেই

আপডেট সময় ০৩:২৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভারতীয় সিনেমার স্বর্ণযুগের কিংবদন্তী অভিনেতা, বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’ হিসেবে খ্যাত দিলীপ কুমার আর নেই। তার বয়স হয়েছিলো ৯৮ বছর।

৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ের পি ডি হিন্দুজা হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে তার পারিবারিক বন্ধু ফয়সাল ফারুকি লেখেন, বিষণ্ন হৃদয় এবং গভীর দু:খের সঙ্গে আমি আমাদের প্রিয় দিলীপ সাহেবের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করছি। কয়েক মিনিট আগে তিনি মারা গেছেন।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৯ জুন থেকে এ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন দিলীপ কুমার। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় তিনি দীর্ঘদিন ভুগছিলেন।

বলিউডে প্রায় ছয় দশকের ক্যারিয়ারে ‘আন্দাজ’, ‘আন’, ‘ক্রান্তি’, ‘শক্তি’, ‘কারমা’, ‘সওদাগর’, ‘দেবদাস’ এবং ‘মুঘল-এ-আজম’সহ বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

দিলীপ কুমারের জন্ম ১৯২২ সালে অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে। তার পারিবারিক নাম ইউসুফ খান। তিনি পাঠানদের অন্যতম গোত্র আওয়ান পরিবারের সন্তান। তারা ছিলেন ১২ ভাইবোন। বাবার নাম লালা গুলাম সরোয়ার। বাবা ছিলেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। ফলের জমজমাট ব্যবসা ছিল তার।

ত্রিশের দশকের শেষ দিকে ইউসুফ খানের পরিবার স্থায়ীভাবে মুম্বাইয়ে বসবাস শুরু করে। সেখানে তিনি একটি ক্যান্টিন চালাতেন এবং স্থানীয় বাজারে শুকনো ফল সরবরাহ করতেন।

পরবর্তী জীবনে তিনি সিনেমায় জড়িয়ে যান। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘জোয়ার ভাটা’ মুক্তি পায় ১৯৪৪ সালে।

দিলীপ কুমার ১৯৬৬ সালে বলিউডের আরেক সাড়া জাগানো অভিনেত্রী সায়রা বানুকে বিয়ে করেন ।

তিনি দীর্ঘ অভিনয় জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। সেরা অভিনেতার পুরস্কার হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার পেয়েছেন আটবার। মনোনীত হয়েছেন ১৯ বার। ফিল্ম ফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ১৯৯৩ সালে। ১৯৮০ সালে মুম্বাই শহরের সাম্মানিক শেরিফ পদটি অলংকৃত করেন তিনি।

ভারত সরকার চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তাকে পদ্মভূষণ ও দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননায় ভূষিত করে।