ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে তারাকান্দিতে বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান, জাল জব্দ ও ব্যবসায়ীকে জরিমানা কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপূজায় ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ দিয়ে নজরদারি করবে আনসার স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : সাখাওয়াত হোসেন নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত দুর্গাপূজা : অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বস্ত্র উপহার দিলেন ছাত্রদলনেতা মাহমুদুল ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বকশীগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ছাপরায় থাকা বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন প্রকৌশলী আল ইমরান

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ৭৬ বছর বয়সি অসহায় এক বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছেন আল ইমরান নামে এক তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী।

ওই বৃদ্ধা একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামালপুর এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের সদস্য আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে একজন তার ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি প্রকৌশলী আল ইমরানের নজরে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের পূর্ব কলকিহারা গ্রামের মৃত জমুর শেকের বিধবা স্ত্রী ৭৬ বছর বয়সি তুলো বেওয়া একখন্ড জমিতে একটি একচালা জরাজীর্ণ একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে বসবাস করেন। তুলো বেওয়ার দুই ছেলেও অভাব ও দরিদ্রতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার দুই ছেলে কাছে না থাকায় অনেক কষ্টে ও অন্যের বাড়িতে চেয়ে খেয়ে কোন রকমে দিন কাটান এই বৃদ্ধা।

বিশেষ করে ছাপরা ঘরে অন্ধকারে রাতের বেলায় একা নির্জনে থাকেন তিনি। অর্থের অভাবে বিদ্যুত সংযোগটিও নিতে পারেন নি এই বৃদ্ধা।

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বৃদ্ধা তুলো বেওয়ার এমন দুর্দশার কাহিনী ৭ জানুয়ারি দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করেন স্থানীয় আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের এক সদস্য। তার এই পোস্ট দেখে বকশীগঞ্জের তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী ও সমাজ সেবক আল ইমরান পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ।

৮ জানুয়ারি সকালে আল ইমরান তার প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি খাট, শীত নিবারণের জন্য একটি লেপ, তোষক, বালিশ, খাবারের জন্য চাল ও একটি নলকূপ ওই বৃদ্ধার বাড়িতে পাঠান। নলকূপটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থাপন করা হয়।

জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করায় খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে তার একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন তরুণ সমাজসেবক আল ইমরান।

অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোয় আল ইমরানের মানবিক এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

প্রকৌশলী আল ইমরান জানান, মানবিকতার কারণে আমি তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা

বকশীগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ছাপরায় থাকা বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন প্রকৌশলী আল ইমরান

আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১
প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ৭৬ বছর বয়সি অসহায় এক বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছেন আল ইমরান নামে এক তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী।

ওই বৃদ্ধা একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামালপুর এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের সদস্য আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে একজন তার ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি প্রকৌশলী আল ইমরানের নজরে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের পূর্ব কলকিহারা গ্রামের মৃত জমুর শেকের বিধবা স্ত্রী ৭৬ বছর বয়সি তুলো বেওয়া একখন্ড জমিতে একটি একচালা জরাজীর্ণ একটি ভাঙা ছাপরা ঘরে বসবাস করেন। তুলো বেওয়ার দুই ছেলেও অভাব ও দরিদ্রতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার দুই ছেলে কাছে না থাকায় অনেক কষ্টে ও অন্যের বাড়িতে চেয়ে খেয়ে কোন রকমে দিন কাটান এই বৃদ্ধা।

বিশেষ করে ছাপরা ঘরে অন্ধকারে রাতের বেলায় একা নির্জনে থাকেন তিনি। অর্থের অভাবে বিদ্যুত সংযোগটিও নিতে পারেন নি এই বৃদ্ধা।

প্রকৌশলী আল ইমরানের পাঠানো বিছানাপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ বৃদ্ধা তুলো বেওয়াকে দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বৃদ্ধা তুলো বেওয়ার এমন দুর্দশার কাহিনী ৭ জানুয়ারি দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করেন স্থানীয় আবদুর রাজ্জাক মাহমুদ নামে এসডিজি জেলা নেটওয়ার্কের এক সদস্য। তার এই পোস্ট দেখে বকশীগঞ্জের তরুণ বস্ত্র প্রকৌশলী ও সমাজ সেবক আল ইমরান পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ।

৮ জানুয়ারি সকালে আল ইমরান তার প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি খাট, শীত নিবারণের জন্য একটি লেপ, তোষক, বালিশ, খাবারের জন্য চাল ও একটি নলকূপ ওই বৃদ্ধার বাড়িতে পাঠান। নলকূপটি তাৎক্ষণিকভাবে স্থাপন করা হয়।

জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করায় খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে তার একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন তরুণ সমাজসেবক আল ইমরান।

অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোয় আল ইমরানের মানবিক এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

প্রকৌশলী আল ইমরান জানান, মানবিকতার কারণে আমি তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব।