ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

বন্যায় শেরপুরের সাথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হতে শুরু হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হতে শুরু হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুরের সাথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ১৭ জুলাই সকাল থেকে ক্রমান্বয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়তে শুরু করে। ফলে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পোড়ার দোকান এলাকার কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হতে শুরু হয়। এই পথটি শেরপুর থেকে উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করতে ব্যবহার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সময় যত গড়াচ্ছে পানির স্রোত ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন ডুবে যাওয়া সড়কে ঝুঁকি নিয়ে কোন ভারী যানবাহন চলাচল করছে না। তবে বিকল্প সড়ক হিসেবে বলায়েরচরের ভেতর দিয়ে ছোট আকারের কিছু কিছু যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী, বলায়েরচর, কামারেরচরসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি ওই কজওয়েতে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আর সেতুর নির্মাণের কারণে বিকল্প সড়কও তৈরি করা হয়েছে। এখন ওই সড়কটিও ধসে যাচ্ছে।

কোন ভারী যানবাহন চলাচল করছে না বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ আল মামুন।

অন্যদিকে বন্যার্তদের সহায়তায় ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ৬ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএই জিয়াসমিন খাতুন জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার শুন্য দশমিক দুই পাঁচ, চেল্লাখালি নদীর পানি শূন্য দশমিক চার, ভোগাই নদীর পানি দুই দশমিক ছয় আট ও নাকুগাঁও নদীর পানি চার দশমিক এক চার মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

বন্যায় শেরপুরের সাথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় ০৭:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০
কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হতে শুরু হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুরের সাথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ১৭ জুলাই সকাল থেকে ক্রমান্বয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়তে শুরু করে। ফলে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পোড়ার দোকান এলাকার কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হতে শুরু হয়। এই পথটি শেরপুর থেকে উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করতে ব্যবহার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সময় যত গড়াচ্ছে পানির স্রোত ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন ডুবে যাওয়া সড়কে ঝুঁকি নিয়ে কোন ভারী যানবাহন চলাচল করছে না। তবে বিকল্প সড়ক হিসেবে বলায়েরচরের ভেতর দিয়ে ছোট আকারের কিছু কিছু যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী, বলায়েরচর, কামারেরচরসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি ওই কজওয়েতে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আর সেতুর নির্মাণের কারণে বিকল্প সড়কও তৈরি করা হয়েছে। এখন ওই সড়কটিও ধসে যাচ্ছে।

কোন ভারী যানবাহন চলাচল করছে না বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ আল মামুন।

অন্যদিকে বন্যার্তদের সহায়তায় ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ৬ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএই জিয়াসমিন খাতুন জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার শুন্য দশমিক দুই পাঁচ, চেল্লাখালি নদীর পানি শূন্য দশমিক চার, ভোগাই নদীর পানি দুই দশমিক ছয় আট ও নাকুগাঁও নদীর পানি চার দশমিক এক চার মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।