ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে শিক্ষার্থী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকসহ তিনজন গ্রেপ্তার

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ধর্ষক মনিরুজ্জামান মনির। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ধর্ষক মনিরুজ্জামান মনির। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে মুঠোফোনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের নাম মনিরুজ্জামান মনির (২২)। তার বাড়ি জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার ঘুরজান এলাকায়। তিনি এক সন্তানের জনক। মনির ওই এলাকার নূর হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার আসামিদের ২৬ মে বিকালে কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি সদর উপজেলার সাপমারি গ্রামে। সে এক দরিদ্র কৃষক কন্যা। সাপমারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে সে পড়াশুনা করত।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই শিক্ষার্থীর সাথে চারমাস আগে মুঠোফোনে পরিচয় হয় মনিরের। ২৪ মে বিকেলে শিক্ষার্থীকে দেখা করার কথা বলে নিয়ে আসে সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরে তাকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। পরে এক পর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মনির। পরে খবর পেয়ে শিক্ষার্থীর স্বজন ও পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ তারিখ রাতভর অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মনিরসহ তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে শিক্ষার্থী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০
শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ধর্ষক মনিরুজ্জামান মনির। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে মুঠোফোনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের নাম মনিরুজ্জামান মনির (২২)। তার বাড়ি জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার ঘুরজান এলাকায়। তিনি এক সন্তানের জনক। মনির ওই এলাকার নূর হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার আসামিদের ২৬ মে বিকালে কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি সদর উপজেলার সাপমারি গ্রামে। সে এক দরিদ্র কৃষক কন্যা। সাপমারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে সে পড়াশুনা করত।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই শিক্ষার্থীর সাথে চারমাস আগে মুঠোফোনে পরিচয় হয় মনিরের। ২৪ মে বিকেলে শিক্ষার্থীকে দেখা করার কথা বলে নিয়ে আসে সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরে তাকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। পরে এক পর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মনির। পরে খবর পেয়ে শিক্ষার্থীর স্বজন ও পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ তারিখ রাতভর অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মনিরসহ তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়।