ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

এসএ গেমসে টি-২০ ক্রিকেটে বড় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু বাংলাদেশের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বড় জয় দিয়ে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ২৩ ক্রিকেট দল। বাঁ-হাতি স্পিনার তানভীর ইসলামের বোলিং নৈপুন্যে নেপালে চলমান গেমসে টি-২০ ক্রিকেটে ৪ ডিসেম্বর নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ১০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মালদ্বীপকে। বল হাতে তানভীর ১৯ রানে ৫ উইকেট নেন।

নেপালের কীর্তিপুরে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সৌম্য সরকার। মোহাম্মদ নাইমকে নিয়ে ইনিংসের উদ্বোধন করেন অধিনায়ক সৌম্য। শুরুটা ভালোই ছিলো নাইম ও সৌম্যর। ৭ ওভারে ৫৭ রান যোগ করেন তারা। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে বিচ্ছিন্ন হয় এই জুটি। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৮ বলে ৩৮ রান করে আউট হন নাইম।

নাইম মারমুখী থাকলেও, রান তোলায় সর্তকই ছিলেন সৌম্য। ঐসময় তার রান ছিলো ১৭ বলে ১৯ রান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ইমার্জিং কাপে অধিনায়কত্ব করা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে মারমুখী ব্যাট করেন সৌম্য। তাই ১২ওভারেই বাংলাদেশের দলীয় স্কোর শতরানের কোটা স্পর্শ করে।

আর ব্যক্তিগতভাবে হাফ-সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন সৌম্য। কিন্তু সেটি আর সম্ভব করতে পারেননি সৌম্য। ৩৩ বলে ৪৬ রানে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। শান্তর সাথে ৫৩ রানের জুটি গড়েন সৌম্য।

দলীয় ১১২ রানে সৌম্য ফিরলে আফিফ হোসেনকে নিয়ে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন শান্ত। দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে সফল হন তিনি। মাঝে আফিফ ৯ বলে ১৬ রানে থামলেও ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করেছেন শান্ত। তার ৩৮ বলে ৪৯ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শান্তর ইনিংসে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিলো। এছাড়া ইয়াসির আলি ১০ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন।

জয়ের জন্য ১৭৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ১৫ রান পায় মালদ্বীপ। প্রতিপক্ষের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন তানভীর। তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমনে এসে প্রথমে উইকেট শিকারের পর-পরই আরও চার ব্যাটসম্যানকে আউট করেন তানভীর। এতে ৪৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের পথে চলে যায় মালদ্বীপ।

শেষ পর্যন্ত ১৯ দশমিক ২ ওভারে ৬৫ রানে অলআউট হয় মালদ্বীপ। দুই ওপেনার ছাড়া দলের অন্য কোন ব্যাটসম্যানই দু’অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। আলি ইভান ১২ ও আহমেদ হাসান ১০ রান করেন। তানভীরের পর বাংলাদেশের পক্ষে মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি-আফিফ হোসেন ২টি করে উইকেট নেন। সৌম্যও নেন ১ উইকেট। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাংলাদেশের তানভীর।

আগামী ৬ ডিসেম্বর ভূটানের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

এসএ গেমসে টি-২০ ক্রিকেটে বড় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু বাংলাদেশের

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বড় জয় দিয়ে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ২৩ ক্রিকেট দল। বাঁ-হাতি স্পিনার তানভীর ইসলামের বোলিং নৈপুন্যে নেপালে চলমান গেমসে টি-২০ ক্রিকেটে ৪ ডিসেম্বর নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ১০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মালদ্বীপকে। বল হাতে তানভীর ১৯ রানে ৫ উইকেট নেন।

নেপালের কীর্তিপুরে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সৌম্য সরকার। মোহাম্মদ নাইমকে নিয়ে ইনিংসের উদ্বোধন করেন অধিনায়ক সৌম্য। শুরুটা ভালোই ছিলো নাইম ও সৌম্যর। ৭ ওভারে ৫৭ রান যোগ করেন তারা। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে বিচ্ছিন্ন হয় এই জুটি। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৮ বলে ৩৮ রান করে আউট হন নাইম।

নাইম মারমুখী থাকলেও, রান তোলায় সর্তকই ছিলেন সৌম্য। ঐসময় তার রান ছিলো ১৭ বলে ১৯ রান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ইমার্জিং কাপে অধিনায়কত্ব করা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে মারমুখী ব্যাট করেন সৌম্য। তাই ১২ওভারেই বাংলাদেশের দলীয় স্কোর শতরানের কোটা স্পর্শ করে।

আর ব্যক্তিগতভাবে হাফ-সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন সৌম্য। কিন্তু সেটি আর সম্ভব করতে পারেননি সৌম্য। ৩৩ বলে ৪৬ রানে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। শান্তর সাথে ৫৩ রানের জুটি গড়েন সৌম্য।

দলীয় ১১২ রানে সৌম্য ফিরলে আফিফ হোসেনকে নিয়ে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন শান্ত। দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে সফল হন তিনি। মাঝে আফিফ ৯ বলে ১৬ রানে থামলেও ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করেছেন শান্ত। তার ৩৮ বলে ৪৯ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শান্তর ইনিংসে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিলো। এছাড়া ইয়াসির আলি ১০ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন।

জয়ের জন্য ১৭৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ১৫ রান পায় মালদ্বীপ। প্রতিপক্ষের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন তানভীর। তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমনে এসে প্রথমে উইকেট শিকারের পর-পরই আরও চার ব্যাটসম্যানকে আউট করেন তানভীর। এতে ৪৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের পথে চলে যায় মালদ্বীপ।

শেষ পর্যন্ত ১৯ দশমিক ২ ওভারে ৬৫ রানে অলআউট হয় মালদ্বীপ। দুই ওপেনার ছাড়া দলের অন্য কোন ব্যাটসম্যানই দু’অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। আলি ইভান ১২ ও আহমেদ হাসান ১০ রান করেন। তানভীরের পর বাংলাদেশের পক্ষে মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি-আফিফ হোসেন ২টি করে উইকেট নেন। সৌম্যও নেন ১ উইকেট। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাংলাদেশের তানভীর।

আগামী ৬ ডিসেম্বর ভূটানের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ।সূত্র:বাসস।