ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ নভেম্বর সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কতৃর্পক্ষ’র (বেপজা) গভর্নর বোর্ডের ৩৪ তম সভার প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন।

ভবিষ্যতে ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রেলে যারা কাজ করেন তাদেরকে আরো শক্ত (দক্ষ) করা উচিত এবং সেই সাথে সাথে আমাদের রেল চালকদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জানি না কেন শীত মৌসুম আসলেই কেবল আমাদের দেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বেই রেলের দুর্ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়।’

ট্রেন দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বুলবুলের মত সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারলাম কিন্তু দুর্ভাগ্য যে এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এ দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি এবং বহু আহত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেন।

উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলমন্ত্রী ইতোমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন। আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’

রেল যোগাযোগটা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং তাঁর সরকার এর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা রেলের বহরে নতুন নতুন ট্রেন যোগ করে রেলকে সম্প্রসারিত করে দিচ্ছি। কারণ মানুষ এবং পণ্য পরিবহনে রেল সবথেকে নিরাপদ যান।’

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে ১২ নভেম্বর ভোর রাত ৩টার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশিথা ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

বেপজা বোর্ড অব গভর্নর্স’র সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিনের সভায় সভাপতিত্ব করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বস্ত্র এবং পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং সংশ্লিস্ট সচিববৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ নভেম্বর সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কতৃর্পক্ষ’র (বেপজা) গভর্নর বোর্ডের ৩৪ তম সভার প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন।

ভবিষ্যতে ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রেলে যারা কাজ করেন তাদেরকে আরো শক্ত (দক্ষ) করা উচিত এবং সেই সাথে সাথে আমাদের রেল চালকদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জানি না কেন শীত মৌসুম আসলেই কেবল আমাদের দেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বেই রেলের দুর্ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়।’

ট্রেন দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বুলবুলের মত সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারলাম কিন্তু দুর্ভাগ্য যে এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এ দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি এবং বহু আহত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেন।

উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলমন্ত্রী ইতোমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন। আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’

রেল যোগাযোগটা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং তাঁর সরকার এর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা রেলের বহরে নতুন নতুন ট্রেন যোগ করে রেলকে সম্প্রসারিত করে দিচ্ছি। কারণ মানুষ এবং পণ্য পরিবহনে রেল সবথেকে নিরাপদ যান।’

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে ১২ নভেম্বর ভোর রাত ৩টার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশিথা ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

বেপজা বোর্ড অব গভর্নর্স’র সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিনের সভায় সভাপতিত্ব করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বস্ত্র এবং পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং সংশ্লিস্ট সচিববৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।