ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

কোনো পেশাই অসম্মানের নয় : ড. হাছান মাহমুদ

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কোনো পেশাই অসম্মানের নয়, সব কাজই সম্মানের। সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজকে কোনো পেশাকে অসম্মানিত করে কোনো কিছু বলা কারো উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সব মানুষ সম্মানের, সব কাজ সম্মানের।’

হাছান মাহমুদ ৬ নভেম্বর চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে প্রায় নি:স্ব হয়ে হোটেল বয় হিসেবে কর্মরত চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে নিজের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তাদানকালে একথা বলেন।

ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে নি:স্বপ্রায় এই চলচ্চিত্র পরিচালককে তথ্যমন্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক মো. মুরাদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মোঃ মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অরণ্য পলাশ ও তার নির্মিত চলচ্চিত্রের প্রযোজক এলিনা শাম্মীসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

হাছান মাহমুদ নিজেও বিদেশে রেস্তোঁরায় ওয়েটারের কাজ করেছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি নিজে যখন বিদেশে পড়াশুনা করতাম, তখন আমি হোটেল-রেস্তোঁরায় কাজ করতাম। অর্থাৎ আমি নিজেও টি-বয়ের কাজ করতাম, সেখানে টি-বয় বলে না, ওয়েটার বলে।’

তিনি বলেন, ‘এটি বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আমি সেই কাজ করতাম। একদিন দু’দিন নয়, আমি বিদেশে অনেক দিন ছিলাম মাস্টার্স ও ডক্টরেট করার জন্য। সেখানে অনেক দিন কাজ করেছি, মাসের পর মাস।’

ড. হাছান বলেন, ‘অরণ্য পলাশের এই পরিস্থিতি দেখে তিনি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব-সবার সাথে আলোচনা করেছেন কোনোভাবে তাকে সহায়তা করা যায় কিনা।

‘আজকে ব্যক্তিগতভাবে তথ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তা করার জন্যে ডাকা হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা করতে হলে একটা প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। আপনারা জানেন, সরকার যে অনুদান দেন, সেটার একটা কমিটি আছে, সেই কমিটির মাধ্যমে অনুদান অনুমোদিত হতে হয়। কমিটির সাথে আমি কথা বলবো, তার এই চলচ্চিত্র যাতে মুক্তি পায়, সেজন্য আরো কি খরচ দরকার, কিছু খরচ তো সে করে ফেলেছে। আর কি সহায়তা দরকার, কমিটির সাথে,সেটি আলোচনা করবো।’

নির্মাতা অরণ্য পলাশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি শুরুতেই বলেছি যে আমি নিজেও রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেছি, অর্থাৎ টি-বয়ের কাজ করেছি, সুতরাং আপনার মনে কষ্ট পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

কোনো পেশাই অসম্মানের নয় : ড. হাছান মাহমুদ

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কোনো পেশাই অসম্মানের নয়, সব কাজই সম্মানের। সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজকে কোনো পেশাকে অসম্মানিত করে কোনো কিছু বলা কারো উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সব মানুষ সম্মানের, সব কাজ সম্মানের।’

হাছান মাহমুদ ৬ নভেম্বর চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে প্রায় নি:স্ব হয়ে হোটেল বয় হিসেবে কর্মরত চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে নিজের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তাদানকালে একথা বলেন।

ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে নি:স্বপ্রায় এই চলচ্চিত্র পরিচালককে তথ্যমন্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক মো. মুরাদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মোঃ মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অরণ্য পলাশ ও তার নির্মিত চলচ্চিত্রের প্রযোজক এলিনা শাম্মীসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

হাছান মাহমুদ নিজেও বিদেশে রেস্তোঁরায় ওয়েটারের কাজ করেছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি নিজে যখন বিদেশে পড়াশুনা করতাম, তখন আমি হোটেল-রেস্তোঁরায় কাজ করতাম। অর্থাৎ আমি নিজেও টি-বয়ের কাজ করতাম, সেখানে টি-বয় বলে না, ওয়েটার বলে।’

তিনি বলেন, ‘এটি বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আমি সেই কাজ করতাম। একদিন দু’দিন নয়, আমি বিদেশে অনেক দিন ছিলাম মাস্টার্স ও ডক্টরেট করার জন্য। সেখানে অনেক দিন কাজ করেছি, মাসের পর মাস।’

ড. হাছান বলেন, ‘অরণ্য পলাশের এই পরিস্থিতি দেখে তিনি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব-সবার সাথে আলোচনা করেছেন কোনোভাবে তাকে সহায়তা করা যায় কিনা।

‘আজকে ব্যক্তিগতভাবে তথ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তা করার জন্যে ডাকা হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা করতে হলে একটা প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। আপনারা জানেন, সরকার যে অনুদান দেন, সেটার একটা কমিটি আছে, সেই কমিটির মাধ্যমে অনুদান অনুমোদিত হতে হয়। কমিটির সাথে আমি কথা বলবো, তার এই চলচ্চিত্র যাতে মুক্তি পায়, সেজন্য আরো কি খরচ দরকার, কিছু খরচ তো সে করে ফেলেছে। আর কি সহায়তা দরকার, কমিটির সাথে,সেটি আলোচনা করবো।’

নির্মাতা অরণ্য পলাশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি শুরুতেই বলেছি যে আমি নিজেও রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেছি, অর্থাৎ টি-বয়ের কাজ করেছি, সুতরাং আপনার মনে কষ্ট পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সূত্র:বাসস।