ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

ফণীর আঘাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর শুকরিয়া আদায়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : সরকারি সফরে লন্ডনে অবস্থানকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান আল্লাহর অসীম রহমতে বাংলাদেশে ফণীর আঘাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় শুকরিয়া আদায় করেছেন।

৪ মে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে ফণীর আঘাত হানার পর এ পর্যন্ত দেশের ভেতরে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন থেকে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট খুবই মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় ফণী দুর্বল হয়ে আজ সকালে বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করে। সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর অশেষ কৃপায় ঘূর্ণিঝড়টি স্থলপথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর-সাতক্ষীরা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। যার ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এরআগে, ফণীর আঘাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ৩ মে বাদ জুমা সারাদেশে বিশেষ দো’য়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

৪ মে সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। সভায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর দুর্যোগ মোকাবিলায় গৃহীত প্রস্তুতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

দ্রুত সময়ের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার প্রায় সাড়ে ১২ লাখ মানুষকে সাইক্লোন আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ এসব এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো, বিশেষ করে সিপিপি’র স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতার প্রশংসা করা হয়। এছাড়া, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গৃহীত কার্যক্রমেরও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

সভায়, বিশ্ব পরিমন্ডলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রোল মডেল হিসেবে খ্যাত যে কোন দুর্যোগকালে বাংলাদেশ সরকারের সকল সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার যে কৃষ্টি তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় করার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। আজকের সভায় মুখ্য সচিব প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে জাতির যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা প্রস্তুতি কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করে। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ফণীর আঘাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর শুকরিয়া আদায়

আপডেট সময় ০৬:২৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : সরকারি সফরে লন্ডনে অবস্থানকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান আল্লাহর অসীম রহমতে বাংলাদেশে ফণীর আঘাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় শুকরিয়া আদায় করেছেন।

৪ মে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে ফণীর আঘাত হানার পর এ পর্যন্ত দেশের ভেতরে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন থেকে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট খুবই মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় ফণী দুর্বল হয়ে আজ সকালে বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করে। সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর অশেষ কৃপায় ঘূর্ণিঝড়টি স্থলপথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর-সাতক্ষীরা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। যার ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এরআগে, ফণীর আঘাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ৩ মে বাদ জুমা সারাদেশে বিশেষ দো’য়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

৪ মে সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। সভায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর দুর্যোগ মোকাবিলায় গৃহীত প্রস্তুতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

দ্রুত সময়ের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার প্রায় সাড়ে ১২ লাখ মানুষকে সাইক্লোন আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ এসব এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো, বিশেষ করে সিপিপি’র স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতার প্রশংসা করা হয়। এছাড়া, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গৃহীত কার্যক্রমেরও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

সভায়, বিশ্ব পরিমন্ডলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রোল মডেল হিসেবে খ্যাত যে কোন দুর্যোগকালে বাংলাদেশ সরকারের সকল সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার যে কৃষ্টি তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় করার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। আজকের সভায় মুখ্য সচিব প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে জাতির যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা প্রস্তুতি কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করে। সূত্র : বাসস