ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী প্রকৃতির সুরক্ষায় ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে নতুন অঙ্গীকার প্রায় ২০০ দেশের যুক্তরাষ্ট্রে জি-২০ জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, ইউক্রেন ইস্যুতে অনড় রাশিয়া দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরী করা হবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নকলায় মহাসড়কে গাছের গুঁড়িতে জনদুর্ভোগ, ৫ জনকে জরিমানা মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হলেন হুমায়ুন, সম্পাদক খাদেমুল বিশ্ব ইজতেমার আগেই মারকাজ পুনরুদ্ধারের দাবিতে ইসলামপুরে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ইলিশ ধরতে পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ভিড়

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
বড়দিন উপলক্ষে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকল ধর্মের মানুষের আবাসস্থল এই বাংলাদেশে সবারই স্বাধীনভাবে নিজস্ব ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম পালনের জন্য বাংলাদেশে এখন চমৎকার পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং সকলেই তাঁদের নিজ নিজ ধর্মের মত অন্যের ধর্ম-কর্মকেও সম্মান করে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ ডিসেম্বর বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে পবিত্র বড়দিন উপলক্ষে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যারা এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছে এবং যারা এদেশের সন্তান তারা স্বাধীনভাবে নিজস্ব ধর্ম পালন করবে।’

জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষ সকলে একসঙ্গে উৎসব উদযাপন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি পহেলা বৈশাখ আমরা সকলে মিলে উদযাপন করি। কারণ ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার এবং আমরা মনে প্রাণে এই নীতিতে বিশ্বাস করি।’

এ প্রসঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ বিনির্মাণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চাইতেন এদেশে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদকমুক্ত শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় তাঁর দৃঢ় সংকল্পের কথা পুণর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশে সকলে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে যেখানে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস এবং মাদকের স্থান হবে না। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়তে চাই এবং যেখানে জনগণ শান্তিতে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যে লক্ষ্য নিয়ে এই বাংলাদেশ করেছিলেন আমরা তেমনভাবেই বাংলাদেশকে গড়তে চাই। আমরা চাই বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত এবং উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ খ্রীস্টান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য রেমন আরেং, বাংলাদেশ খ্রীস্টান লীগের সাধারণ সম্পাদক ড্যানিয়েল ডি’কষ্টা ও সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং ।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
বড়দিন উপলক্ষে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকল ধর্মের মানুষের আবাসস্থল এই বাংলাদেশে সবারই স্বাধীনভাবে নিজস্ব ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম পালনের জন্য বাংলাদেশে এখন চমৎকার পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং সকলেই তাঁদের নিজ নিজ ধর্মের মত অন্যের ধর্ম-কর্মকেও সম্মান করে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ ডিসেম্বর বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে পবিত্র বড়দিন উপলক্ষে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যারা এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছে এবং যারা এদেশের সন্তান তারা স্বাধীনভাবে নিজস্ব ধর্ম পালন করবে।’

জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষ সকলে একসঙ্গে উৎসব উদযাপন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি পহেলা বৈশাখ আমরা সকলে মিলে উদযাপন করি। কারণ ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার এবং আমরা মনে প্রাণে এই নীতিতে বিশ্বাস করি।’

এ প্রসঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ বিনির্মাণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চাইতেন এদেশে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদকমুক্ত শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় তাঁর দৃঢ় সংকল্পের কথা পুণর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশে সকলে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে যেখানে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস এবং মাদকের স্থান হবে না। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়তে চাই এবং যেখানে জনগণ শান্তিতে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যে লক্ষ্য নিয়ে এই বাংলাদেশ করেছিলেন আমরা তেমনভাবেই বাংলাদেশকে গড়তে চাই। আমরা চাই বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত এবং উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ খ্রীস্টান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য রেমন আরেং, বাংলাদেশ খ্রীস্টান লীগের সাধারণ সম্পাদক ড্যানিয়েল ডি’কষ্টা ও সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং ।
সূত্র : বাসস