ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।