ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আওনা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, মদিনায় দাফন জামালপুরে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে ৫০০ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার জামালপুরে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উদযাপিত জামালপুরে শিক্ষার্থীর শরীরে দেওয়া হল ভিন্ন গ্রুপের রক্ত, রোগী সঙ্কটাপন্ন মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু দেশে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সারা দেশে ৩০ এপ্রিলের পর মাদকবিরোধী অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামালপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহে এপির মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত, পুষ্টিকর খাদ্য প্রদর্শন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে জয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ২৮ রানের জয় পেয়েছে তারা। এতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল মাশরাফি বাহিনী। ২১ অক্টোবর দুপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানে থেমেছে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা জিম্বাবুয়েকে চাপে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। ৪৮ রান করা সিন উইলিয়ামস একাই কিছুটা লড়াই করেছেন। বাকিদের কেউ বড় স্কোর গড়তে পারেননি। দলীয় ৪৮ রানে নাজমুল ইসলাম অপু ওপেনিং জুটি ভেঙে দেয়ার পর বদলাতে থাকে চিত্র। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেটের পতন হতে থাকে। অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কাইল জার্ভিস ৩৭, কেপাস জুয়াও ৩৫, পিটার মুর ২৬, ক্রেইগ এরভিন ২৪ ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ২১ রান করেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মেহেদি হাসান মিরাজ ৪৬ রান খরচায় নেন তিন উইকেট। এছাড়া নাজমুল ইসলাম অপু দুটি এবং মাহমুদউল্লাহ ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে ইমরুল কায়েসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। ইমরুল করেছেন ১৪৪ রান। এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের করা ১৫৪ রানের পর এটিই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। সেই সুবাদে হয়েছেন ম্যাচসেরাও। তাকে শেষ দিকে সঙ্গ দেয়া সাইফ উদ্দিনও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে আউট হয়েছেন তিনি।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম থেকেই চাপে ছিল টাইগাররা। বলা যায়, একক প্রচেষ্টায় বারবার সেই চাপ কাটিয়ে দলকে খেলায় ফেরান ইমরুল। সেই চেষ্টায় কখনও সঙ্গী হয়েছেন মুশফিক, আবার কখনও মিঠুন-সাইফ। অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মহড়ার মধ্যে ১৪৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসের মাধ্যমে নিজেকে আবারও প্রমাণ করছেন ইমরুল কায়েস। ১৪০ বল থেকে ১৩টি চার ও ছয়টি ছক্কার মারে এ রান করেন তিনি। ওয়ানডেতে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।

সাকিব-তামিম বিহীন ম্যাচে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরুতে নেমেছিলেন ইমরুল ও লিটন দাস। তবে দলীয় ১৬ রানেই লিটন আউট হয়ে যান। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ রাব্বি। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে সেই চাপ কাটাতে খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিক (১৫)।

এরপর ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন ৭৩ রান যোগ করেন। এরপর মিঠুন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তাকে অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

তবে একপাশে অবিচল ছিলেন ইমরুল। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জুটি বাঁধেন সাইফ উদ্দিন। তারা দু’জন এই জুটিতে করেন ১২৭ রান। এটি ওয়ানডেতে সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

মূলত এখান থেকেই লড়াই করার মতো স্কোর পায় মাশরাফি বাহিনী। পরে ইমরুল ও সাইফ দুজনই আউট হলেও বাংলাদেশ ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস চারটি এবং টেন্ডাই চাতারা তিনটি করে উইকেট নেন।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ যথাক্রমে ২৪ ও ২৬ অক্টোবর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র : ইত্তেফাক

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওনা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

আপডেট সময় ১০:৫৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে জয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ২৮ রানের জয় পেয়েছে তারা। এতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল মাশরাফি বাহিনী। ২১ অক্টোবর দুপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানে থেমেছে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা জিম্বাবুয়েকে চাপে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। ৪৮ রান করা সিন উইলিয়ামস একাই কিছুটা লড়াই করেছেন। বাকিদের কেউ বড় স্কোর গড়তে পারেননি। দলীয় ৪৮ রানে নাজমুল ইসলাম অপু ওপেনিং জুটি ভেঙে দেয়ার পর বদলাতে থাকে চিত্র। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেটের পতন হতে থাকে। অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কাইল জার্ভিস ৩৭, কেপাস জুয়াও ৩৫, পিটার মুর ২৬, ক্রেইগ এরভিন ২৪ ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ২১ রান করেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মেহেদি হাসান মিরাজ ৪৬ রান খরচায় নেন তিন উইকেট। এছাড়া নাজমুল ইসলাম অপু দুটি এবং মাহমুদউল্লাহ ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে ইমরুল কায়েসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। ইমরুল করেছেন ১৪৪ রান। এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের করা ১৫৪ রানের পর এটিই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। সেই সুবাদে হয়েছেন ম্যাচসেরাও। তাকে শেষ দিকে সঙ্গ দেয়া সাইফ উদ্দিনও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে আউট হয়েছেন তিনি।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম থেকেই চাপে ছিল টাইগাররা। বলা যায়, একক প্রচেষ্টায় বারবার সেই চাপ কাটিয়ে দলকে খেলায় ফেরান ইমরুল। সেই চেষ্টায় কখনও সঙ্গী হয়েছেন মুশফিক, আবার কখনও মিঠুন-সাইফ। অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মহড়ার মধ্যে ১৪৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসের মাধ্যমে নিজেকে আবারও প্রমাণ করছেন ইমরুল কায়েস। ১৪০ বল থেকে ১৩টি চার ও ছয়টি ছক্কার মারে এ রান করেন তিনি। ওয়ানডেতে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।

সাকিব-তামিম বিহীন ম্যাচে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরুতে নেমেছিলেন ইমরুল ও লিটন দাস। তবে দলীয় ১৬ রানেই লিটন আউট হয়ে যান। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ রাব্বি। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তিনি। মাত্র ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে সেই চাপ কাটাতে খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিক (১৫)।

এরপর ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন ৭৩ রান যোগ করেন। এরপর মিঠুন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তাকে অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

তবে একপাশে অবিচল ছিলেন ইমরুল। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জুটি বাঁধেন সাইফ উদ্দিন। তারা দু’জন এই জুটিতে করেন ১২৭ রান। এটি ওয়ানডেতে সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

মূলত এখান থেকেই লড়াই করার মতো স্কোর পায় মাশরাফি বাহিনী। পরে ইমরুল ও সাইফ দুজনই আউট হলেও বাংলাদেশ ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস চারটি এবং টেন্ডাই চাতারা তিনটি করে উইকেট নেন।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ যথাক্রমে ২৪ ও ২৬ অক্টোবর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র : ইত্তেফাক