ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার বর্তমান সরকার একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে : শামীম তালুকদার উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী নজরুল মেলা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে কলেজছাত্রী মৌসুমীর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
জামালপুর শহরের গোলাপবাগ এলাকার হাজির মেস থেকে মৌসুমী সুলতানা মৌ (২০) নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৩০ আগস্ট দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর থানা পুলিশ ওই মেসের তার কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ফ্যানের রডের সাথে গলায় উড়নায় ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। মৌসুমী সুলতানা মৌ জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের রিকশাচালক আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

জানা গেছে, মৌসুমীর বাবা রিকশাচালক আনোয়ার হোসেন আরেক নারীকে বিয়ে করে ঢাকায় চলে যান। কলেজছাত্রী মৌসুমী সুলতানা মৌ জামালপুর শহরের গোলাপবাগ এলাকায় হাজি আব্দুর রহিমের চারতলা বাসার নিচতলায় ছাত্রীদের মেসের একটি কক্ষে তিনজনছাত্রীর সাথে থাকতেন। তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন তার মামা পরিচয়ে গোলাম রব্বানী শাহীন নামের এক ব্যক্তি ঈদের দু’সপ্তাহ আগে মৌসুমীকে মেসে রেখে যান। ঈদের ছুটির পর মৌসুমী একাই তার মেসে উঠেন। ওই মেসের অন্যছাত্রীরা ৩০ আগস্ট রাত ১১টার দিকে মৌসুমীকে ডাকতে গিয়ে ভেতরে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। ওই বাসার অন্য ফ্লাটের লোকজন গিয়ে দরজায় টুকা দিয়ে ডাকাডাকি করেন। এতেও সাড়া না পাওয়ায় সদর থানায় খবর দেওয়া হয়।

সদর থানা পুলিশ রাত দেড়টার দিকে মেসের ওই কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের রডের সাথে উড়না পেচিয়ে ঝুলন্ত মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। এ সময় কক্ষ থেকে তার হাতে লেখা একটি চিরকুট এবং মোবাইল ফোন সেট জব্দ করেছে পুলিশ। রাতেই পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ৩১ আগস্ট দুপুরে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে তার বাবা আনোয়ার হোসেনের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তির কারণে আত্মহত্যা করেছে এবং তার এভাবে মৃত্যুর জন্য নিজেই দায়ী বলে মৌসুমী তার চিরকুটে উল্লেখ করে গেছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছিমুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, মৌসুমী নামের কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ না করায় এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল। পরবর্তীতে ঝামেলা এড়াতে ময়নাতদন্ত সাপেক্ষেই তার স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে কলেজছাত্রী মৌসুমীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৭:২৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
জামালপুর শহরের গোলাপবাগ এলাকার হাজির মেস থেকে মৌসুমী সুলতানা মৌ (২০) নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৩০ আগস্ট দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর থানা পুলিশ ওই মেসের তার কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ফ্যানের রডের সাথে গলায় উড়নায় ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। মৌসুমী সুলতানা মৌ জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের রিকশাচালক আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

জানা গেছে, মৌসুমীর বাবা রিকশাচালক আনোয়ার হোসেন আরেক নারীকে বিয়ে করে ঢাকায় চলে যান। কলেজছাত্রী মৌসুমী সুলতানা মৌ জামালপুর শহরের গোলাপবাগ এলাকায় হাজি আব্দুর রহিমের চারতলা বাসার নিচতলায় ছাত্রীদের মেসের একটি কক্ষে তিনজনছাত্রীর সাথে থাকতেন। তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন তার মামা পরিচয়ে গোলাম রব্বানী শাহীন নামের এক ব্যক্তি ঈদের দু’সপ্তাহ আগে মৌসুমীকে মেসে রেখে যান। ঈদের ছুটির পর মৌসুমী একাই তার মেসে উঠেন। ওই মেসের অন্যছাত্রীরা ৩০ আগস্ট রাত ১১টার দিকে মৌসুমীকে ডাকতে গিয়ে ভেতরে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। ওই বাসার অন্য ফ্লাটের লোকজন গিয়ে দরজায় টুকা দিয়ে ডাকাডাকি করেন। এতেও সাড়া না পাওয়ায় সদর থানায় খবর দেওয়া হয়।

সদর থানা পুলিশ রাত দেড়টার দিকে মেসের ওই কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের রডের সাথে উড়না পেচিয়ে ঝুলন্ত মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। এ সময় কক্ষ থেকে তার হাতে লেখা একটি চিরকুট এবং মোবাইল ফোন সেট জব্দ করেছে পুলিশ। রাতেই পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ৩১ আগস্ট দুপুরে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে তার বাবা আনোয়ার হোসেনের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তির কারণে আত্মহত্যা করেছে এবং তার এভাবে মৃত্যুর জন্য নিজেই দায়ী বলে মৌসুমী তার চিরকুটে উল্লেখ করে গেছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছিমুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, মৌসুমী নামের কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ না করায় এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল। পরবর্তীতে ঝামেলা এড়াতে ময়নাতদন্ত সাপেক্ষেই তার স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।