জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মিজানুর রহমান (৩১) নামের এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়কের ক্ষতিসাধন এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অপরাধে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার চর রাজীবপুর গ্রামের বছিউজ্জামানের ছেলে। ১৪ জুন, রবিবার বিকালে উপজেলার ডাংধারা ইউনিয়নের বাঘারচর সরকারপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিন বসিয়ে বাঘারচর সরকারপাড়া এলাকার ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। ভারি ভেকু মেশিন ও ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে একদিকে যেমন কৃষিজমির উৎপাদনক্ষমতা নষ্ট হচ্ছিল, অন্যদিকে স্থানীয় গ্রামীণ সড়কগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছিল। এছাড়া নির্বিচারে মাটি কাটার ফলে ফসলি জমির মূল শ্রেণি পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছিল।
১৪ জুন বিকালে বাঘারচর এলাকায় অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন।
এ বিষয়ে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও জমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করে যারা পরিবেশ ও জনস্বার্থের ক্ষতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে আগামীতেও আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিল্লাল হোসেন মন্ডল : নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 


















