ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে মানবাধিকার নিশ্চিতকল্পে পেশাদার র‍্যাব ফোর্স বিষয়ক সেমিনার জামালপুরে আমার জীবন আমার স্বপ্ন উদযাপন লাঙ্গলজোড়ায় ইটের সলিং রাস্তার উদ্বোধন সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য সমতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী গৃহভিত্তিক কর্মীদের সোস্যাল মিডিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষককে হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত জামালপুরে লেখক সমিতির স্মারকলিপি পেশ অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সরিষাবাড়ী : তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার সাইফুল খান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে সাইফুল খান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ।

২৫ মে, সোমবার রাতে ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মায়ের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই তরুণী একজন কলেজছাত্রী। আটক সাইফুল ইসলাম উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভাটারা গ্রামের মাহাবুবুল আলম চান খানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু তরুণীর পরিবার বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মানিক মিয়া নাহিদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। কৌশলে ওই তরুণীর চাচা সাইফুল খানকে তরুণীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখার কাজে নিয়োজিত করেন মানিক মিয়া নাহিদ। ওই তরুণী রাজধানী ঢাকায় তার বাবা-মায়ের সাথে থাকেন।

এদিকে তরুণীর জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হওয়ায় চাচা সাইফুল খানকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন তুলে রাখতে বলেন। ২১ মে, বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে জন্ম নিবন্ধন নিতে ওই তরুণী ভাটারা বাজারে আসেন। এ সময় সাইফুল খান জন্ম নিবন্ধনের কপি দেওয়ার কথা বলে কৌশলে স্থানীয় কাজি শামীম হোসেনের অফিসে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার স্বাক্ষর নেন।

এরপর সিএনজিযোগে ওই তরুণীকে উঠিয়ে পৌরসভার ইস্পাহানি এলাকায় চারতলা বাসায় একটি কক্ষে নিয়ে যান মানিক মিয়া নাহিদ ও সাইফুল খানসহ কয়েকজন। এরপর টানা পাঁচদিন বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে মানিক মিয়া নাহিদ।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল খানকে  গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাজি শামীম হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই তরুণীর সাথে তার মা-বাবার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিল না। অভিভাবক হিসাবে তার চাচা সাইফুল খানের সাথে ছিলেন। তাই বিয়ের নিবন্ধন করানো হয়। থানায় মামলা হয়েছে কিনা জানি না।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি সাইফুল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ (২৬ মে, মঙ্গলবার) দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে সাইফুল খান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ।

২৫ মে, সোমবার রাতে ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মায়ের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই তরুণী একজন কলেজছাত্রী। আটক সাইফুল ইসলাম উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভাটারা গ্রামের মাহাবুবুল আলম চান খানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু তরুণীর পরিবার বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মানিক মিয়া নাহিদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। কৌশলে ওই তরুণীর চাচা সাইফুল খানকে তরুণীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখার কাজে নিয়োজিত করেন মানিক মিয়া নাহিদ। ওই তরুণী রাজধানী ঢাকায় তার বাবা-মায়ের সাথে থাকেন।

এদিকে তরুণীর জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হওয়ায় চাচা সাইফুল খানকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম নিবন্ধন তুলে রাখতে বলেন। ২১ মে, বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে জন্ম নিবন্ধন নিতে ওই তরুণী ভাটারা বাজারে আসেন। এ সময় সাইফুল খান জন্ম নিবন্ধনের কপি দেওয়ার কথা বলে কৌশলে স্থানীয় কাজি শামীম হোসেনের অফিসে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার স্বাক্ষর নেন।

এরপর সিএনজিযোগে ওই তরুণীকে উঠিয়ে পৌরসভার ইস্পাহানি এলাকায় চারতলা বাসায় একটি কক্ষে নিয়ে যান মানিক মিয়া নাহিদ ও সাইফুল খানসহ কয়েকজন। এরপর টানা পাঁচদিন বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে মানিক মিয়া নাহিদ।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল খানকে  গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কাজি শামীম হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই তরুণীর সাথে তার মা-বাবার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিল না। অভিভাবক হিসাবে তার চাচা সাইফুল খানের সাথে ছিলেন। তাই বিয়ের নিবন্ধন করানো হয়। থানায় মামলা হয়েছে কিনা জানি না।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি সাইফুল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ (২৬ মে, মঙ্গলবার) দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।