আবহমান বাংলার সৌন্দর্য্যের রাজা বলে পরিচিত গ্রীস্মকাল। ফাগুনের ছোঁয়ায় পলাশ-শিমুলের বনে লেগেছে আগুনরাঙা ফলের মেলা। শীতের জড়তা কাটিয়ে কোকিলের সেই মধুময় কুহুতানে মাতাল করতে আবারও ফিরে এল বাংলার বুক মাতাল করতে ঋতুরাজ বসন্ত।
রঙিন বনফুলের সমারোহে প্রকৃতি যেমন সেজেছে বর্নিল সাজে। তেমনি সাজে সেজেছে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম বাগানগুলো। গাছজুড়ে আমের আগাম মুকুলের ঘনঘটা। পাতা দেখার যেন উপায় নেই। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে এর সুন্দর সুগন্ধ। নির্ধারিত সময়ের প্রায় একসমাস আগেই আবহাওয়াগত ও জাতের কারণেই মূলত আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে গাছগুলোতে।
তবে চলতি মাসের শেষের দিকে প্রতিটি গাছেই পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে শুরু করবে। যেসব গাছে আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে, সেইসব বাগান মালিকেরা পরিচর্যাও শুরু করেছে দিয়েছেন রীতিমত। বড় ধরনের কোন প্রাকিতিক দুর্যোগ না ঘটলে ইসলামপুরেও আমের আশাতীত ফলন হবে। এ অঞ্চলে আম চাষে লাভজনক হওয়ায় আম চাষে ঝুঁকছেন অনেকেই।
উত্তর দরিয়াবাদ গ্রামের আমচাষী ফুলু মন্ডল বলেন, শীতের তীব্রতা থাকলেও কয়েক সপ্তাহ থেকে আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছগুলোতে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এবার আমের ফলনও ভাল হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ অঞ্চলে আমের ভাল ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লিয়াকত হোসাইন লায়ন : নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম 



















