ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর মাদারগঞ্জে ২২ জনকে প্রায় ৯ লাখ টাকার ঋণ সহায়তা প্রদান কমরেড মনজুরুল খানের ৮১তম জন্মদিনে বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা নকলায় ভারতীয় ৩৭ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ তরুণী আটক মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ১২ দফা দাবিতে জামালপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি পেশ ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

গ্যাস সংকটে যমুনা সার কারখানায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ

সরিষাবাড়ী : যমুনা সার কারখানা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

গ্যাস সংকটে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সারকারখানায় ফের ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিকালে যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যমুনা সারকারখানা সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা। শুরু থেকে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করে আসছিল কারখানাটি। ২০২৪ সালে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজারে উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে যমুনা সারকারখানা গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানি। এতে ২৩ মাস পুরোপুরি বন্ধ থাকে যমুনায় ইউরিয়া উৎপাদন। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করলেও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটিতে একাধিক বার বন্ধ থাকে ইউরিয়া উৎপাদন।

এদিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানি ফের যমুনা সারকারখানায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিলে ইউরিয়া উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রাখে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যমুনার সার জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাংগাইল, রাজবাড়ি ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করেন। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে কারখানার কমান্ডিং এরিয়ায় চলতি মৌসুমে সার সংকটে হওয়ায় শঙ্কায় দেখা দিতে পারে।

যমুনা সার কারখানার উপ প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, যমুনা সারকারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন ঠিকঠাকভাবেই হচ্ছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে কারখানায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস। কারখানায় যে পরিমাণ গ্যাস প্রয়োজন তা না থাকায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস সংকটে যমুনা সার কারখানায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় ০৯:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্যাস সংকটে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সারকারখানায় ফের ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিকালে যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যমুনা সারকারখানা সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা। শুরু থেকে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করে আসছিল কারখানাটি। ২০২৪ সালে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজারে উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে যমুনা সারকারখানা গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানি। এতে ২৩ মাস পুরোপুরি বন্ধ থাকে যমুনায় ইউরিয়া উৎপাদন। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করলেও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটিতে একাধিক বার বন্ধ থাকে ইউরিয়া উৎপাদন।

এদিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানি ফের যমুনা সারকারখানায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিলে ইউরিয়া উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রাখে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যমুনার সার জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাংগাইল, রাজবাড়ি ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করেন। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে কারখানার কমান্ডিং এরিয়ায় চলতি মৌসুমে সার সংকটে হওয়ায় শঙ্কায় দেখা দিতে পারে।

যমুনা সার কারখানার উপ প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, যমুনা সারকারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন ঠিকঠাকভাবেই হচ্ছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে কারখানায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস। কারখানায় যে পরিমাণ গ্যাস প্রয়োজন তা না থাকায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।