ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা জামালপুরে ১১ শিশুর মুখে হাসি ফোটাল অরফান গিভ শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড যুবদলনেতা সোহেল রানার উদ্যোগে মশক নিধন, সড়কবাতি সংযোজন এইচএসসি : ইসলামপুরে জিপিএ-৫ মাত্র পাঁচজন, ফলাফল শূন্য এক কলেজে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায় সাভার-আশুলিয়ায় কারখানায় ফিরতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা, মজুরি বোর্ড গঠনে স্বস্তি

গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল

জামালপুর : রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ড. আসিফ নজরুল। ছবি : সংগৃহীত

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সরকারের গণভোটের পক্ষে প্রচারণা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, বরং এটি সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ। সরকার সব দলের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইছি, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি জনগণের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের কল্যাণে করা হচ্ছে। আমরা কোন ভাণভনিতা করছি না। আমাদের লক্ষ্য সব দলের জন্য সমান- সকলেই যেন সংস্কারের পক্ষে থাকে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আগে অনুষ্ঠিত সব গণভোটে সরকার সবসময় একটি পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে কোন নতুন সরকার গঠিত হয় না।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনটি মূল কাজের উপর গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। আমরা সর্বদা সংস্কারের পক্ষে এডভোকেসি করে আসছি। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠন এবং জুলাই চাটার প্রণয়ন। সবই সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে হয়েছে।

আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য সংস্কার- সবার ক্ষেত্রে একই। তিনি আরও বলেন, গত দুই-তিন দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘না’ প্রচারণা বেড়ে গেছে, কিন্তু যে কাউকে এই প্রচারণা থেকে বিরত রাখার কোন অধিকার সরকারের নেই। এটি মানুষের বিবেকের বিষয়।

আইন উপদেষ্টা জানান, গণভোটে সরকারের উদ্যোগগুলো সংবিধান ও আইনগতভাবে সুরক্ষিত। আর্টিকেল ৪৬-এ সংবিধানগত সুরক্ষা থাকায় কেউ দুষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে আইনগত চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না।

তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার বিষয়েও জোর দেন। আমরা চাই গণভোট যেন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং জনগণের আস্থা অর্জনকারী হয়। কোন বিতর্ক তৈরি হলে তা স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সমাধান হবে।

সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সরকারের গণভোটের পক্ষে প্রচারণা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, বরং এটি সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ। সরকার সব দলের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে চাইছি, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি জনগণের স্বার্থ এবং রাষ্ট্রের কল্যাণে করা হচ্ছে। আমরা কোন ভাণভনিতা করছি না। আমাদের লক্ষ্য সব দলের জন্য সমান- সকলেই যেন সংস্কারের পক্ষে থাকে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আগে অনুষ্ঠিত সব গণভোটে সরকার সবসময় একটি পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে কোন নতুন সরকার গঠিত হয় না।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনটি মূল কাজের উপর গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। আমরা সর্বদা সংস্কারের পক্ষে এডভোকেসি করে আসছি। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠন এবং জুলাই চাটার প্রণয়ন। সবই সরকারের উদ্যোগের মাধ্যমে হয়েছে।

আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য সংস্কার- সবার ক্ষেত্রে একই। তিনি আরও বলেন, গত দুই-তিন দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘না’ প্রচারণা বেড়ে গেছে, কিন্তু যে কাউকে এই প্রচারণা থেকে বিরত রাখার কোন অধিকার সরকারের নেই। এটি মানুষের বিবেকের বিষয়।

আইন উপদেষ্টা জানান, গণভোটে সরকারের উদ্যোগগুলো সংবিধান ও আইনগতভাবে সুরক্ষিত। আর্টিকেল ৪৬-এ সংবিধানগত সুরক্ষা থাকায় কেউ দুষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে আইনগত চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না।

তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার বিষয়েও জোর দেন। আমরা চাই গণভোট যেন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং জনগণের আস্থা অর্জনকারী হয়। কোন বিতর্ক তৈরি হলে তা স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সমাধান হবে।