ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

দুটি বিপদাপন্ন পরিবারকে পুনর্বাসন করেছে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস

জামালপুর : রুপা'স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস এর সহায়তায় সুমনের দোকান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের তুলশিপুর বাজারের বাসিন্দা যৌন নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী শিশু পরিবারের পুনর্বাসনে উদাহরণ তৈরি করেছে একটি বেসরকারি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ছোট আকারে চা, পান, বিস্কিট, চেনাচুর, সাবান, স্যাম্পুসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকানের ব্যবস্থা করে দেয় রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস। এ দাতব্য সংস্থাটির সহায়তায় ক্রমেই ইতিবাচক বদলের পথে অগ্রসর হচ্ছে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ হতদরিদ্র পরিবারটি।

এর আগে ওই পরিবারের অচল হয়ে পড়ে থাকা ভ্যানগাড়িটি মেরামত করে দেওয়া হয়। এছাড়া গরু পালানের জন্য পরিবারের কুঁড়ে ঘরের পাশেই গোয়াল ঘরের মেঝে পাকা করে দেওয়া হয়। নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী শিশুর বাবা-মা আবেগ আপ্লুত ভাষায় বলেন, আমার মাইয়াডারে যারা ক্ষতি করল তাগোর বিচার পাইলাম না। এই কষ্ট কিছুডা পূরণ অইছে রুপা’স ভিশন আমাগো দোকান কইরা দিছে, নষ্ট ভ্যানগাড়ি ঠিক কইরা দিছে। গইলঘর মরামত কইরা দিছে। আল্লায় ওগো ভালা করব।

সুধীজনদের ধারণা এলাকাবাসী সহায়তা করলে এই পরিবারটি ঘুরে দাঁড়াবেই । সমাজকর্মী আরজু মিয়া বলেন, একটা ফ্রিজের ব্যবস্থা করতে পারলে এই গরমে ঠান্ডা পানীয় বিক্রি করে লাভবান হতে পারত।

নতুন জীবনের গল্পের সাথে ‘রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস’ এর প্রতিনিধি শফিকুল আলম বলেন, জামালপুরে শিশুকন্যা যৌন নির্যাতনের ঘটনায় আমরা বাকরুদ্ধ হয়েছিলাম। ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল প্রতিবন্ধী ছেলে, মেয়েসহ স্ত্রী আরেক কন্যাসহ পাঁচ সদস্যের পরিবারের নিদারুণ বিপর্যস্ত পরিস্থিতি দেখে। সে সময় আমরা ওই পরিবারকে স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সহায়তা এবং আয়ের উৎস তৈরি করে দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বিপদগ্রস্ত পরিবারের বর্ণনা দিয়ে বলেন, তুলশিপুর বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান সুমনের উপার্জনের একমাত্র হাতিয়ার ভ্যানগাড়িটি নষ্ট হয়ে পড়ে ছিল তার ডেরায়। দেড় বছর আগে থেকে নতুন শিশু জন্ম নেয়ায় এবং আর্থিক অনটন ও প্রসূতি মায়ের পক্ষে চা, পান বিক্রির কাজটিও বন্ধ হয়ে যায়।

এরই মধ্যে লাল মিয়া নামে এক নরপশুর হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় পরিবারের প্রতিবন্ধী বড় কিশোরী মেয়েটি। সব মিলিয়েই বাবা-মা যখন হতাশার সাগরে ভাসছিল তখনই আমার বিবরণ শোনে ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে আসে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস।

শুভ ভাইয়ের মাধ্যমে কথা হয় ওই দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মানবিক মানুষ জামালপুরের কৃতী সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী রুপা কবির আপার সাথে। সুদূর ইংল্যান্ডে বসে আমার আর শুভ ভাইয়ের বিবরণ শোনেই টাকা পাঠিয়ে দেন। আমরা নিজেরা সকল
কেনাকাটা করে দেই। দোকান, ভ্যানগাড়ি চালু করেছি আমাদের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে।

জামালপুর : রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস থেকে বাপ্পীর স্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে ইলেকট্রিক্যাল সেলাই মেশিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অপরদিকে গত ঈদের আগে জামালপুর শহরের পরিচিত মুখ শারীরিক প্রতিবন্ধী বাপ্পীর পরিবারের পুনর্বাসনের কাজে এগিয়ে আসে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস। চরমভাবে শারীরিক প্রতিবিন্ধতার শিকার বাপ্পী ও তার স্ত্রী। তবে তারা উভয়ই কারও কাছে করুনার পাত্র হতে চায় না। বাপ্পী অন্যের সহায়তায় প্রাপ্ত ব্যাটারিচালিত হুইল চেয়ার চালিয়ে ফেরি করে নানা ধরনের পণ্যসামগ্রী বিক্রি করে। আর তার স্ত্রী ভাঙ্গা একটা সেলাই মেশিন চালিয়ে টুকটাক উপার্জন করে থাকে। ঘরে বাপ্পীর অসুস্থ মায়ের চিকিৎসাসহ সংসারের ব্যয়ভার বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।

এরমধ্যে বাপ্পীর ঘর আলো করে জন্ম নেয় এক ছেলে সন্তান। এ খুশির আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিদারুণ কষ্টের চিত্র লক্ষ্য করেন মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম। তিনি আবারও বাপ্পীদের পরিবারের কাহিনী বর্ণনা করেন রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভসের প্রধান রুপা কবিরের কাছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই শফিকুল আলম শুভর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাঠান। বাপ্পীর ব্যবসার পরিসর কিছুটা বৃদ্ধির জন্য পণ্য সামগ্রী কিনে দেওয়া হয়। আর বাপ্পীর স্ত্রীর জন্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ইলেকট্রিক্যাল সেলাই মেশিন কিনে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পোশাক তৈরি করে বিক্রি করার জন্য থান কাপড় কিনে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ওই দুটি পরিবারের আয়মুখী কার্যক্রম সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাল্টে যাচ্ছে তাদের জীবনযাত্রার মান। বাড়তি আয়ের ফলে সুমনে ছোট সন্তান এখন বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও চেহারা ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের ছাপ ফোঁটে উঠেছে।

একই চিত্র বাপ্পীর পরিবারেও। বাপ্পী বলেন, রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস আমাগো জীবনডাই পাল্টায়ে দিছে। আমরা এহন বাড়তি আয় কইরে ভালাভাবে জীবন চালাইতাছি। আল্লা রুপা ভিশনকে আরও বড় করুক।

সত্যিই রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস মানবিক কাজে উদাহরণ তৈরি করছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ সড়কে তাদের কার্যালয় থেকে যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

দুটি বিপদাপন্ন পরিবারকে পুনর্বাসন করেছে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস

আপডেট সময় ০৯:০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের তুলশিপুর বাজারের বাসিন্দা যৌন নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী শিশু পরিবারের পুনর্বাসনে উদাহরণ তৈরি করেছে একটি বেসরকারি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ছোট আকারে চা, পান, বিস্কিট, চেনাচুর, সাবান, স্যাম্পুসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকানের ব্যবস্থা করে দেয় রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস। এ দাতব্য সংস্থাটির সহায়তায় ক্রমেই ইতিবাচক বদলের পথে অগ্রসর হচ্ছে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ হতদরিদ্র পরিবারটি।

এর আগে ওই পরিবারের অচল হয়ে পড়ে থাকা ভ্যানগাড়িটি মেরামত করে দেওয়া হয়। এছাড়া গরু পালানের জন্য পরিবারের কুঁড়ে ঘরের পাশেই গোয়াল ঘরের মেঝে পাকা করে দেওয়া হয়। নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী শিশুর বাবা-মা আবেগ আপ্লুত ভাষায় বলেন, আমার মাইয়াডারে যারা ক্ষতি করল তাগোর বিচার পাইলাম না। এই কষ্ট কিছুডা পূরণ অইছে রুপা’স ভিশন আমাগো দোকান কইরা দিছে, নষ্ট ভ্যানগাড়ি ঠিক কইরা দিছে। গইলঘর মরামত কইরা দিছে। আল্লায় ওগো ভালা করব।

সুধীজনদের ধারণা এলাকাবাসী সহায়তা করলে এই পরিবারটি ঘুরে দাঁড়াবেই । সমাজকর্মী আরজু মিয়া বলেন, একটা ফ্রিজের ব্যবস্থা করতে পারলে এই গরমে ঠান্ডা পানীয় বিক্রি করে লাভবান হতে পারত।

নতুন জীবনের গল্পের সাথে ‘রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস’ এর প্রতিনিধি শফিকুল আলম বলেন, জামালপুরে শিশুকন্যা যৌন নির্যাতনের ঘটনায় আমরা বাকরুদ্ধ হয়েছিলাম। ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল প্রতিবন্ধী ছেলে, মেয়েসহ স্ত্রী আরেক কন্যাসহ পাঁচ সদস্যের পরিবারের নিদারুণ বিপর্যস্ত পরিস্থিতি দেখে। সে সময় আমরা ওই পরিবারকে স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সহায়তা এবং আয়ের উৎস তৈরি করে দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বিপদগ্রস্ত পরিবারের বর্ণনা দিয়ে বলেন, তুলশিপুর বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান সুমনের উপার্জনের একমাত্র হাতিয়ার ভ্যানগাড়িটি নষ্ট হয়ে পড়ে ছিল তার ডেরায়। দেড় বছর আগে থেকে নতুন শিশু জন্ম নেয়ায় এবং আর্থিক অনটন ও প্রসূতি মায়ের পক্ষে চা, পান বিক্রির কাজটিও বন্ধ হয়ে যায়।

এরই মধ্যে লাল মিয়া নামে এক নরপশুর হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় পরিবারের প্রতিবন্ধী বড় কিশোরী মেয়েটি। সব মিলিয়েই বাবা-মা যখন হতাশার সাগরে ভাসছিল তখনই আমার বিবরণ শোনে ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে আসে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস।

শুভ ভাইয়ের মাধ্যমে কথা হয় ওই দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মানবিক মানুষ জামালপুরের কৃতী সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী রুপা কবির আপার সাথে। সুদূর ইংল্যান্ডে বসে আমার আর শুভ ভাইয়ের বিবরণ শোনেই টাকা পাঠিয়ে দেন। আমরা নিজেরা সকল
কেনাকাটা করে দেই। দোকান, ভ্যানগাড়ি চালু করেছি আমাদের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে।

জামালপুর : রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস থেকে বাপ্পীর স্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে ইলেকট্রিক্যাল সেলাই মেশিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অপরদিকে গত ঈদের আগে জামালপুর শহরের পরিচিত মুখ শারীরিক প্রতিবন্ধী বাপ্পীর পরিবারের পুনর্বাসনের কাজে এগিয়ে আসে রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস। চরমভাবে শারীরিক প্রতিবিন্ধতার শিকার বাপ্পী ও তার স্ত্রী। তবে তারা উভয়ই কারও কাছে করুনার পাত্র হতে চায় না। বাপ্পী অন্যের সহায়তায় প্রাপ্ত ব্যাটারিচালিত হুইল চেয়ার চালিয়ে ফেরি করে নানা ধরনের পণ্যসামগ্রী বিক্রি করে। আর তার স্ত্রী ভাঙ্গা একটা সেলাই মেশিন চালিয়ে টুকটাক উপার্জন করে থাকে। ঘরে বাপ্পীর অসুস্থ মায়ের চিকিৎসাসহ সংসারের ব্যয়ভার বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।

এরমধ্যে বাপ্পীর ঘর আলো করে জন্ম নেয় এক ছেলে সন্তান। এ খুশির আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিদারুণ কষ্টের চিত্র লক্ষ্য করেন মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম। তিনি আবারও বাপ্পীদের পরিবারের কাহিনী বর্ণনা করেন রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভসের প্রধান রুপা কবিরের কাছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই শফিকুল আলম শুভর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাঠান। বাপ্পীর ব্যবসার পরিসর কিছুটা বৃদ্ধির জন্য পণ্য সামগ্রী কিনে দেওয়া হয়। আর বাপ্পীর স্ত্রীর জন্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ইলেকট্রিক্যাল সেলাই মেশিন কিনে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পোশাক তৈরি করে বিক্রি করার জন্য থান কাপড় কিনে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ওই দুটি পরিবারের আয়মুখী কার্যক্রম সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাল্টে যাচ্ছে তাদের জীবনযাত্রার মান। বাড়তি আয়ের ফলে সুমনে ছোট সন্তান এখন বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও চেহারা ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের ছাপ ফোঁটে উঠেছে।

একই চিত্র বাপ্পীর পরিবারেও। বাপ্পী বলেন, রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস আমাগো জীবনডাই পাল্টায়ে দিছে। আমরা এহন বাড়তি আয় কইরে ভালাভাবে জীবন চালাইতাছি। আল্লা রুপা ভিশনকে আরও বড় করুক।

সত্যিই রুপা’স ভিশন ফর এক্সেপশনাল লাইভস মানবিক কাজে উদাহরণ তৈরি করছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ সড়কে তাদের কার্যালয় থেকে যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।