ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহর বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে জামালপুর শহর বিএনপি। ১৪ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে স্টেশন সড়কে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী যখন জাতির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় এবং নির্বিচারে খুন, গুম ও গণধর্ষণ শুরু করে তখন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এই জাতিকে সঠিক মুক্তির পথ না দেখিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তানের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য। ঠিক সে সময়ে যে মানুষটি বুঝতে সক্ষম হয়েছিল এ জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নাই। যে কারণে নিজের জীবন বাজি রেখে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ জাতির মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা এই জাতিকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনের নামে ভারত গিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন।

তিনি আরও বলেন, ৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই জাতির স্বাধীনতা যখন নিশ্চিত, পাক হানাদার বাহিনীও যখন বুঝতে পেরেছিল আর সম্ভব নয়, ঠিক সেই মুহূর্তে বিজয়ের ঠিক আগে আগে পাক হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই জাতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার হীন কৌশলে ১৪ ডিসেম্বর এই দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শফিউর রহমান শফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সভায় জেলা বিএনপি, শহর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহর বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

জামালপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে জামালপুর শহর বিএনপি। ১৪ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে স্টেশন সড়কে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী যখন জাতির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় এবং নির্বিচারে খুন, গুম ও গণধর্ষণ শুরু করে তখন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এই জাতিকে সঠিক মুক্তির পথ না দেখিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তানের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য। ঠিক সে সময়ে যে মানুষটি বুঝতে সক্ষম হয়েছিল এ জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নাই। যে কারণে নিজের জীবন বাজি রেখে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ জাতির মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা এই জাতিকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনের নামে ভারত গিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন।

তিনি আরও বলেন, ৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই জাতির স্বাধীনতা যখন নিশ্চিত, পাক হানাদার বাহিনীও যখন বুঝতে পেরেছিল আর সম্ভব নয়, ঠিক সেই মুহূর্তে বিজয়ের ঠিক আগে আগে পাক হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই জাতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার হীন কৌশলে ১৪ ডিসেম্বর এই দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শফিউর রহমান শফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সভায় জেলা বিএনপি, শহর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।