ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিঞ্জিরাম নদীর ভাতখাওয়ায় সেতু চায় পাঁচ গ্রামের মানুষ গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির উপর একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিক নাদিম স্মরণে সভা অনুষ্ঠিত  রাশিয়ায় মাদারগঞ্জের দুই যুবক নিখোঁজ জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে আন্তঃসংস্থা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কৃষকের মৃত্যু ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড দুদক মহাপরিচালকের সাথে দুপ্রক জামালপুর জেলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দেওয়ানগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল

উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরের চর এলাকার তোতা মিয়ার করাত কল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরের চর এলাকার তোতা মিয়ার করাত কল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পৌর শহরসহ ৮টি ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল। বনভূমির নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা গায়েই মাখছে না অবৈধ করাত কলের অসাধু মালিকরা। বন ও পরিবেশ বিভাগের তদারকি ও যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নিয়ম নীতি না মেনে কোন ধরনের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়াই বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে প্রায় তিনশতাধিক করাত কল বা ‘স’ মিল।

স্থানীয়রা জানান. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও বনের পাশে এভাবে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র বিহীন অবৈধ করাত কল গড়ে উঠেছে। আর বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ‘শিগগিরই’ ব্যবস্থা নেবে। বন আইন অনুযায়ী বন বিভাগের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল ‘স’ মিল দেওয়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অথচ ওই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার পৌর শহরসহ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে করাত কল।

স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাব ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় নজরদারী না থাকায় এ উপজেলায় করাত কল ‘স’ মিলের ছড়াছড়ি। যার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ এবং ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে বনাঞ্চল। অবৈধ করাত কলগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান না থাকায় সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর করাত কল ‘স’ মিলের মালিক তোতা মিয়া জানান, মিল চালানোর জন্য বন বিভাগ দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাইনাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন্নাহার শেফা জানান, করাত কল চালানোর কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই বাছাই করা হবে। যে সমস্ত করাত কলের কাগজপত্র নেই, অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিঞ্জিরাম নদীর ভাতখাওয়ায় সেতু চায় পাঁচ গ্রামের মানুষ

দেওয়ানগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল

আপডেট সময় ১০:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩
উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরের চর এলাকার তোতা মিয়ার করাত কল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পৌর শহরসহ ৮টি ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল। বনভূমির নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা গায়েই মাখছে না অবৈধ করাত কলের অসাধু মালিকরা। বন ও পরিবেশ বিভাগের তদারকি ও যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নিয়ম নীতি না মেনে কোন ধরনের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়াই বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে প্রায় তিনশতাধিক করাত কল বা ‘স’ মিল।

স্থানীয়রা জানান. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও বনের পাশে এভাবে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র বিহীন অবৈধ করাত কল গড়ে উঠেছে। আর বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ‘শিগগিরই’ ব্যবস্থা নেবে। বন আইন অনুযায়ী বন বিভাগের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল ‘স’ মিল দেওয়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অথচ ওই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার পৌর শহরসহ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে করাত কল।

স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাব ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় নজরদারী না থাকায় এ উপজেলায় করাত কল ‘স’ মিলের ছড়াছড়ি। যার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ এবং ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে বনাঞ্চল। অবৈধ করাত কলগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান না থাকায় সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর করাত কল ‘স’ মিলের মালিক তোতা মিয়া জানান, মিল চালানোর জন্য বন বিভাগ দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাইনাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন্নাহার শেফা জানান, করাত কল চালানোর কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই বাছাই করা হবে। যে সমস্ত করাত কলের কাগজপত্র নেই, অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।