ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

বোনকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ভাইয়ের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে মামাতো বোনকে অপহরণ ও ধর্ষণ করার দায়ে ভাই শফিকুল ইসলামকে (৩৭) ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখতারুজ্জামান ওই রায় ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়নাল আবেদীন নামে অপর এক আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্ত শফিকুল পলাতক রয়েছে। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোয়ালবর এলাকার। সে ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, রায়ে ধর্ষণের দায়ে শফিকুলকে যাবজ্জীবন বা ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উভয় সাজা একইসাথে কার্যকর হবে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়নাল আবেদীন নামে অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, শফিকুল তার মামাতো বোন জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারুয়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে (১২) নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার পথে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপহরণ করে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। স্বজনরা তাকে খুঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১৮ আগস্ট শফিকুলসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে।

পরবর্তীতে ঝিনাইগাতী থানার এসআই ইউনুস আলী বিশ্বাস ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রধান আসামি শফিকুল ও তার সহযোগী জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কিন্তু মামলার শুরু থেকেই উভয় আসামি পলাতক থাকেন।

বিচারিক পর্যায়ে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৯ ফেব্রুয়ারি এ রায় দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

বোনকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ভাইয়ের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে মামাতো বোনকে অপহরণ ও ধর্ষণ করার দায়ে ভাই শফিকুল ইসলামকে (৩৭) ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখতারুজ্জামান ওই রায় ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়নাল আবেদীন নামে অপর এক আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্ত শফিকুল পলাতক রয়েছে। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোয়ালবর এলাকার। সে ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, রায়ে ধর্ষণের দায়ে শফিকুলকে যাবজ্জীবন বা ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উভয় সাজা একইসাথে কার্যকর হবে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়নাল আবেদীন নামে অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, শফিকুল তার মামাতো বোন জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারুয়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে (১২) নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার পথে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপহরণ করে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। স্বজনরা তাকে খুঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১৮ আগস্ট শফিকুলসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে।

পরবর্তীতে ঝিনাইগাতী থানার এসআই ইউনুস আলী বিশ্বাস ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রধান আসামি শফিকুল ও তার সহযোগী জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কিন্তু মামলার শুরু থেকেই উভয় আসামি পলাতক থাকেন।

বিচারিক পর্যায়ে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৯ ফেব্রুয়ারি এ রায় দেন।