ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ৩ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

প্রবল বর্ষণ ও ওজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এবং নকলা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের কিছু যায়গা প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের অন্তত পাঁচ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে সবজীর আবাদ ও আমন বীজতলা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর, ধানশাইল, হাতিবান্দা, কাংশা ও মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের বেশ কিছু বাড়িঘরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

এ দিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভূগাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে মরিচপুরান ইউনিয়নের অন্তত ৮টি গ্রামসহ উপজেলা যোগানিয়া, কলসপাড় ও বাঘবেড় ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

নকলা উপজেলার গনপদ্দী, নকলা, উরফা, চন্দ্রকোনা ও নারায়নখোলা ইউনিয়নের বেশ কিছু যায়গা প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় ১৬ হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজতলা। দ্রুত পানি নেমে গেলে বীজতলার ক্ষতির পরিমাণও কমে যাবে অনেক।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুবেল মাহমুদ জানান, ঝিনাইগাতী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন আছে। তাদের জন্য প্রয়োজন সবকিছু করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মুহিত কুমার দেব বলেন, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আমন বীজতলা তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে বীজতলার তেমন ক্ষতি হবে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ৩ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

প্রবল বর্ষণ ও ওজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এবং নকলা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের কিছু যায়গা প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের অন্তত পাঁচ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে সবজীর আবাদ ও আমন বীজতলা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর, ধানশাইল, হাতিবান্দা, কাংশা ও মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের বেশ কিছু বাড়িঘরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

এ দিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভূগাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে মরিচপুরান ইউনিয়নের অন্তত ৮টি গ্রামসহ উপজেলা যোগানিয়া, কলসপাড় ও বাঘবেড় ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

নকলা উপজেলার গনপদ্দী, নকলা, উরফা, চন্দ্রকোনা ও নারায়নখোলা ইউনিয়নের বেশ কিছু যায়গা প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় ১৬ হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজতলা। দ্রুত পানি নেমে গেলে বীজতলার ক্ষতির পরিমাণও কমে যাবে অনেক।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুবেল মাহমুদ জানান, ঝিনাইগাতী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন আছে। তাদের জন্য প্রয়োজন সবকিছু করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মুহিত কুমার দেব বলেন, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আমন বীজতলা তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে বীজতলার তেমন ক্ষতি হবে না।