ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

এনইসিতে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) অনুমোদন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ২০৩১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত (২০২১-২০৪১) পরিকল্পনার অনুমোদন দিয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আজ এনইসি সভায় যে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেটি ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে ২০৩১ সালে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে ৯ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাবে।

তিনি জানান, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় চরম দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় ও মাঝারি দারিদ্র্যের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

মান্নান বলেন, উন্নত দেশে পৌঁছাতে আমাদেরকে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে হবে। এতে বৈষম্য হ্রাস, দারিদ্র নিরসন ও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ বছরে। এক্ষেত্রে ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৩ বছর থেকে ২০৩১ সালে বেড়ে হবে ৭৫ বছর।

প্রবৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত রাখা গেলে এবং পরিকল্পনামাফিক যথার্থভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে উন্নীত হবে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

নতুন প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২০ সালের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৩১ সালে দাঁড়াবে ৯ শতাংশে। সেটি আবার বাড়তে বাড়তে ২০৪১ সালে গিয়ে হবে ৯.৯ শতাংশ। সেই সঙ্গে চরম দারিদ্র্যের হার ২০২০ সালে ৯.৩৮ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে পৌঁছাবে ২.৫৫ শতাংশে। সেটি পরিকল্পনার শেষ বছর ২০৪১ সালে কমে দাঁড়াবে ০.৬৮ শতাংশে। অন্যদিকে মাঝারি দারিদ্র্য বর্তমান বছরের ১৮.৮২ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে দাঁড়াবে ৭ দশমিক শুণ্য শতাংশে। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শেষে ২০৪১ সালে এ হার হবে ৩ শতাংশের নিচে।

পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বৈষম্য হ্রাস, ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা, লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকছে।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

এনইসিতে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) অনুমোদন

আপডেট সময় ০৮:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ২০৩১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পৌঁছানোর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত (২০২১-২০৪১) পরিকল্পনার অনুমোদন দিয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আজ এনইসি সভায় যে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেটি ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে ২০৩১ সালে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে ৯ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাবে।

তিনি জানান, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় চরম দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় ও মাঝারি দারিদ্র্যের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

মান্নান বলেন, উন্নত দেশে পৌঁছাতে আমাদেরকে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে হবে। এতে বৈষম্য হ্রাস, দারিদ্র নিরসন ও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ বছরে। এক্ষেত্রে ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৩ বছর থেকে ২০৩১ সালে বেড়ে হবে ৭৫ বছর।

প্রবৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত রাখা গেলে এবং পরিকল্পনামাফিক যথার্থভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে উন্নীত হবে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

নতুন প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২০ সালের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৩১ সালে দাঁড়াবে ৯ শতাংশে। সেটি আবার বাড়তে বাড়তে ২০৪১ সালে গিয়ে হবে ৯.৯ শতাংশ। সেই সঙ্গে চরম দারিদ্র্যের হার ২০২০ সালে ৯.৩৮ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে পৌঁছাবে ২.৫৫ শতাংশে। সেটি পরিকল্পনার শেষ বছর ২০৪১ সালে কমে দাঁড়াবে ০.৬৮ শতাংশে। অন্যদিকে মাঝারি দারিদ্র্য বর্তমান বছরের ১৮.৮২ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে দাঁড়াবে ৭ দশমিক শুণ্য শতাংশে। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শেষে ২০৪১ সালে এ হার হবে ৩ শতাংশের নিচে।

পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বৈষম্য হ্রাস, ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা, লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকছে।সূত্র:বাসস।