
লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম
আন্ত:নগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের কেবিনের কামরায় প্রাক্তন এক ছাত্রীর সাথে অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার জে জে কে এম গার্লস হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীর অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শিক্ষক ও অভিভাবকরা ইসলামপুরের ওই কলেজ প্রাঙ্গণে জমায়েত শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলা চত্বরে গিয়ে শেষে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই কলেজের প্রভাষক খলিলুর রহমান, শিক্ষিকা সুলেখা খানম, নাজমুন্নাহার কেয়া, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মোজাহারুল হক, নিসচা সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক ইকবাল হিরু, সাবেক সভাপতি জিয়াউল হক জুয়েল, যুব মহিলালীগ সভাপতি আবিদা সুলতানা যুঁথি, অভিবাবক সুলতান মিয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা অধ্যক্ষের অপরাসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জামালপুর থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী আন্ত:নগর তিস্তা ট্রেনের বেশ কয়েকজন যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রেনটির কেবিনের একটি কামরায় অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরী ও একই কলেজের প্রাক্তন এক ছাত্রীকে অসামাজিক কার্যকলাপরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে গভীর রাতে রহস্যজনক কারণে জামালপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ অধ্যক্ষ ও ছাত্রীকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনার পর থেকে ওই অধ্যক্ষের চাকরি থেকে অপসারণসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ইসলামপুরে বেশ তোলপাড় চলছে। গোটা ইসলামপুরবাসী অধ্যক্ষ আব্দুছ ছালাম চৌধুরীকে সামাজিকভাবে বয়কট করে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 



















