ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

আজ গণতন্ত্র রক্ষা দিবস : তথ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজ গণতন্ত্র রক্ষা দিবস। কারণ আজকের দিনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করেছিল।

তিনি বলেন, “এক বছর আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি চেয়েছিল ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন ভন্ডুল করে গণতন্ত্র হত্যা করতে। সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে উপড়ে ফেলে এবং প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় অর্জন করেছিল। সে হিসেবে আজ হচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষা দিবস।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজ তারা যে দিবসটি পালন করতে চাচ্ছে, প্রকারান্তরে তারা তাদের খোলস উন্মোচন করছে যে, তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল।”

তিনি ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘মাদ্রিদে জলবায়ু সম্মেলন : পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে যোগদানে পূর্বে সাংবাদিকদের ড. হাছান মাহমুদ এ সব কথা বলেন।

আইডিইবি এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম (বিসিজেএফ) যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

আইডিইবি’র সভাপতি এ.কে.এম.এ হামিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। সেমিনারে আইডিইবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রাহমান, বিসিজেএফের সভাপতি কাওসার রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জিয়াউল হক।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গতকাল দেশের মানুষ তাদের বিশাল!! মিছিল দেখেছে। যেখানে শ’দেড়েক মানুষ ছিল। সেই মিছিলে ঐক্যফ্রন্টের শরীক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত ছিলেন না।
মিছিল কি দেড়শ’ জনের হয়? এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এই লজ্জা ঢাকার জন্য তারা যেসব কথা বার্তা বলছেন এগুলো অবান্তর কথাবার্তা। প্রকৃত পক্ষে তারা ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা নানা ষড়যন্ত্র করছে। আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ সব করে কোন লাভ নেই। কারণ দেশের মানুষ আর তাদের সাথে নেই।

বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিষ্ফোরণ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে আমরা অনেক দেখেছি, বিএনপি যখন কোন সমাবেশ বা আন্দোলনের ডাক দেয়, তখন তারা সাধারণ মানুষের উপর পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করেছে। নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছে। এগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছাড়া আর কিছু নয়।

সরকারের এক বছরপূর্তি সম্পর্কিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এক বছরে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সরকারের তারচেয়ে বেশি অর্জিত হয়েছে।

ঢাকা সিটি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দল যাকে জয়লাভের জন্য যোগ্য মনে করেছে এবং জনগণের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে তাকেই মনোনয়ন দিয়েছে।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

আজ গণতন্ত্র রক্ষা দিবস : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজ গণতন্ত্র রক্ষা দিবস। কারণ আজকের দিনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করেছিল।

তিনি বলেন, “এক বছর আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি চেয়েছিল ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন ভন্ডুল করে গণতন্ত্র হত্যা করতে। সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে উপড়ে ফেলে এবং প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় অর্জন করেছিল। সে হিসেবে আজ হচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষা দিবস।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজ তারা যে দিবসটি পালন করতে চাচ্ছে, প্রকারান্তরে তারা তাদের খোলস উন্মোচন করছে যে, তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল।”

তিনি ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘মাদ্রিদে জলবায়ু সম্মেলন : পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে যোগদানে পূর্বে সাংবাদিকদের ড. হাছান মাহমুদ এ সব কথা বলেন।

আইডিইবি এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম (বিসিজেএফ) যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

আইডিইবি’র সভাপতি এ.কে.এম.এ হামিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। সেমিনারে আইডিইবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রাহমান, বিসিজেএফের সভাপতি কাওসার রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জিয়াউল হক।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গতকাল দেশের মানুষ তাদের বিশাল!! মিছিল দেখেছে। যেখানে শ’দেড়েক মানুষ ছিল। সেই মিছিলে ঐক্যফ্রন্টের শরীক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত ছিলেন না।
মিছিল কি দেড়শ’ জনের হয়? এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এই লজ্জা ঢাকার জন্য তারা যেসব কথা বার্তা বলছেন এগুলো অবান্তর কথাবার্তা। প্রকৃত পক্ষে তারা ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা নানা ষড়যন্ত্র করছে। আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ সব করে কোন লাভ নেই। কারণ দেশের মানুষ আর তাদের সাথে নেই।

বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিষ্ফোরণ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে আমরা অনেক দেখেছি, বিএনপি যখন কোন সমাবেশ বা আন্দোলনের ডাক দেয়, তখন তারা সাধারণ মানুষের উপর পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করেছে। নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছে। এগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছাড়া আর কিছু নয়।

সরকারের এক বছরপূর্তি সম্পর্কিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এক বছরে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সরকারের তারচেয়ে বেশি অর্জিত হয়েছে।

ঢাকা সিটি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দল যাকে জয়লাভের জন্য যোগ্য মনে করেছে এবং জনগণের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে তাকেই মনোনয়ন দিয়েছে।সূত্র:বাসস।