ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণে এডিসি রাজীব কুমার

স্টেশন বাজারে পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

স্টেশন বাজারে পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

সারাদেশের পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনতে সাধারণ মানুষের বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। জামালপুরের হাট-বাজারে পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজ মজুদ থাকলেও দাম হুহু করে বেড়েই চলেছে। পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণ করতে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজীব কুমার সরকার জামালপুর শহরের স্টেশন বাজার পরিদর্শন করেছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার ১৫ নভেম্বর বিকেলে জামালপুর শহরের স্টেশন বাজারে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি কয়েকটি দোকানে পেঁয়াজের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। ব্যবসায়ীরা তাকে জানান, জামালপুর শহরের সকাল বাজারের আড়তদারদের কাছ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনে তারা বিক্রি করছেন ১৯৫ টাকা থেকে ২০০ টাকায়। তারা পাবনা বা উত্তরাঞ্চল থেকে আসা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। আমদানি করা পেঁয়াজ এই বাজারে নেই। তারা জানতেও চান যে, বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে আনা আমদানি করা পেঁয়াজ কোথায় যাচ্ছে।

তারা আরো জানান, আড়তদাররা সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ বিক্রি করছেন না। যার তিন বস্তা পেঁয়াজ দরকার তাকে দেওয়া হচ্ছে এক বস্তা। পেঁয়াজ কেনার পর আড়তদাররা টাকা পরিশোধের রশিদও দিতে চান না। সকাল বাজারসহ জামালপুর শহরের বিভিন্ন আড়তদারদের দোকানে অল্প পেঁয়াজ রেখে বিক্রি করে বলা হচ্ছে আমদানি করা পেঁয়াজ আসেনি। হয়তো আড়তদাররা বাজার থেকে দূরে অজ্ঞাত স্থানের গুদামে বা বাসাবাড়িতে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ করেছে। সেখান থেকে অল্প অল্প করে এনে তারা পাইকারি দরে বিক্রি করছেন। আড়তদাররা কোথায় পেঁয়াজ মজুদ রেখেছে তা অভিযান চালিয়ে খুঁজে বের করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শুনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার আড়তদারদের গুদামের সন্ধানসহ পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণে এডিসি রাজীব কুমার

আপডেট সময় ০৬:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
স্টেশন বাজারে পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

সারাদেশের পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনতে সাধারণ মানুষের বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। জামালপুরের হাট-বাজারে পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজ মজুদ থাকলেও দাম হুহু করে বেড়েই চলেছে। পেঁয়াজের দাম পর্যবেক্ষণ করতে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজীব কুমার সরকার জামালপুর শহরের স্টেশন বাজার পরিদর্শন করেছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার ১৫ নভেম্বর বিকেলে জামালপুর শহরের স্টেশন বাজারে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি কয়েকটি দোকানে পেঁয়াজের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। ব্যবসায়ীরা তাকে জানান, জামালপুর শহরের সকাল বাজারের আড়তদারদের কাছ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনে তারা বিক্রি করছেন ১৯৫ টাকা থেকে ২০০ টাকায়। তারা পাবনা বা উত্তরাঞ্চল থেকে আসা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। আমদানি করা পেঁয়াজ এই বাজারে নেই। তারা জানতেও চান যে, বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে আনা আমদানি করা পেঁয়াজ কোথায় যাচ্ছে।

তারা আরো জানান, আড়তদাররা সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ বিক্রি করছেন না। যার তিন বস্তা পেঁয়াজ দরকার তাকে দেওয়া হচ্ছে এক বস্তা। পেঁয়াজ কেনার পর আড়তদাররা টাকা পরিশোধের রশিদও দিতে চান না। সকাল বাজারসহ জামালপুর শহরের বিভিন্ন আড়তদারদের দোকানে অল্প পেঁয়াজ রেখে বিক্রি করে বলা হচ্ছে আমদানি করা পেঁয়াজ আসেনি। হয়তো আড়তদাররা বাজার থেকে দূরে অজ্ঞাত স্থানের গুদামে বা বাসাবাড়িতে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ করেছে। সেখান থেকে অল্প অল্প করে এনে তারা পাইকারি দরে বিক্রি করছেন। আড়তদাররা কোথায় পেঁয়াজ মজুদ রেখেছে তা অভিযান চালিয়ে খুঁজে বের করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শুনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার আড়তদারদের গুদামের সন্ধানসহ পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন।