ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

মেলান্দহে আটক শেরপুরের তিন যুবক জামালপুর জেলহাজতে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়ে গর্ভবতী নারীদের অনুদানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক শেরপুরের তিন যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ২২ জুন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের খায়েরপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবকরা হলেন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পড়শপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. ফজল হক (১৯), শ্রীবরদী উপজেলার মো. চান মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ আলম (১৭) এবং শেরপুর সদর উপজেলার কাওয়াপিছি গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে মো. কাউছার (১৮)। তারা বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর ‘গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর পুষ্টি কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন প্রকল্পের মাঠকর্মী পরিচয়ে ২২ জুন সকালে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের খায়েরপাড়া গ্রামে যান।

তারা ওই গ্রামের গর্ভবতী নারীদের মোটা অংকের টাকার অনুদানের লোভ দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করার সময় গ্রামবাসী তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান তাদেরকে মেলান্দহ থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৩ জুন দুপুরে জামালপুর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ফরমটিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের এনজিওটি খলিফা ফাউন্ডেশন (কে-এফ) এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। এতে এনজিওটির প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা মহিলা কলেজ রোড, বরগুনা-৮৭১০ লেখা আছে। ফরমটিতে একটি ইমেইল ঠিকানা থাকলেও তাতে কোনো ফোন নম্বর উল্লেখ নেই। ২০১২ সালের এনজিও ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত কথিত খলিফা ফাউন্ডেশনের একটি সনদও তাদের কাছে পাওয়া গেছে। খলিফা ফাউন্ডেশনের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহেশকাটা বাজার।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ঘোষেরপাড়া থেকে আটক বরগুণার এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়দানকারী ওই তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের

মেলান্দহে আটক শেরপুরের তিন যুবক জামালপুর জেলহাজতে

আপডেট সময় ১১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়ে গর্ভবতী নারীদের অনুদানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক শেরপুরের তিন যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ২২ জুন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের খায়েরপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবকরা হলেন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পড়শপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. ফজল হক (১৯), শ্রীবরদী উপজেলার মো. চান মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ আলম (১৭) এবং শেরপুর সদর উপজেলার কাওয়াপিছি গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে মো. কাউছার (১৮)। তারা বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর ‘গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর পুষ্টি কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন প্রকল্পের মাঠকর্মী পরিচয়ে ২২ জুন সকালে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের খায়েরপাড়া গ্রামে যান।

তারা ওই গ্রামের গর্ভবতী নারীদের মোটা অংকের টাকার অনুদানের লোভ দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করার সময় গ্রামবাসী তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান তাদেরকে মেলান্দহ থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৩ জুন দুপুরে জামালপুর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ফরমটিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের এনজিওটি খলিফা ফাউন্ডেশন (কে-এফ) এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। এতে এনজিওটির প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা মহিলা কলেজ রোড, বরগুনা-৮৭১০ লেখা আছে। ফরমটিতে একটি ইমেইল ঠিকানা থাকলেও তাতে কোনো ফোন নম্বর উল্লেখ নেই। ২০১২ সালের এনজিও ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত কথিত খলিফা ফাউন্ডেশনের একটি সনদও তাদের কাছে পাওয়া গেছে। খলিফা ফাউন্ডেশনের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহেশকাটা বাজার।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ঘোষেরপাড়া থেকে আটক বরগুণার এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়দানকারী ওই তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’