ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

মেলান্দহে আটক শেরপুরের তিন যুবক জামালপুর জেলহাজতে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়ে গর্ভবতী নারীদের অনুদানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক শেরপুরের তিন যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ২২ জুন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের খায়েরপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবকরা হলেন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পড়শপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. ফজল হক (১৯), শ্রীবরদী উপজেলার মো. চান মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ আলম (১৭) এবং শেরপুর সদর উপজেলার কাওয়াপিছি গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে মো. কাউছার (১৮)। তারা বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর ‘গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর পুষ্টি কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন প্রকল্পের মাঠকর্মী পরিচয়ে ২২ জুন সকালে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের খায়েরপাড়া গ্রামে যান।

তারা ওই গ্রামের গর্ভবতী নারীদের মোটা অংকের টাকার অনুদানের লোভ দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করার সময় গ্রামবাসী তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান তাদেরকে মেলান্দহ থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৩ জুন দুপুরে জামালপুর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ফরমটিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের এনজিওটি খলিফা ফাউন্ডেশন (কে-এফ) এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। এতে এনজিওটির প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা মহিলা কলেজ রোড, বরগুনা-৮৭১০ লেখা আছে। ফরমটিতে একটি ইমেইল ঠিকানা থাকলেও তাতে কোনো ফোন নম্বর উল্লেখ নেই। ২০১২ সালের এনজিও ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত কথিত খলিফা ফাউন্ডেশনের একটি সনদও তাদের কাছে পাওয়া গেছে। খলিফা ফাউন্ডেশনের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহেশকাটা বাজার।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ঘোষেরপাড়া থেকে আটক বরগুণার এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়দানকারী ওই তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

মেলান্দহে আটক শেরপুরের তিন যুবক জামালপুর জেলহাজতে

আপডেট সময় ১১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়ে গর্ভবতী নারীদের অনুদানের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক শেরপুরের তিন যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ২২ জুন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের খায়েরপাড়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবকরা হলেন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পড়শপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. ফজল হক (১৯), শ্রীবরদী উপজেলার মো. চান মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ আলম (১৭) এবং শেরপুর সদর উপজেলার কাওয়াপিছি গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে মো. কাউছার (১৮)। তারা বরগুনা জেলার হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি এনজিওর ‘গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর পুষ্টি কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন প্রকল্পের মাঠকর্মী পরিচয়ে ২২ জুন সকালে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের খায়েরপাড়া গ্রামে যান।

তারা ওই গ্রামের গর্ভবতী নারীদের মোটা অংকের টাকার অনুদানের লোভ দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করার সময় গ্রামবাসী তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান তাদেরকে মেলান্দহ থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৩ জুন দুপুরে জামালপুর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ফরমটিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ নামের এনজিওটি খলিফা ফাউন্ডেশন (কে-এফ) এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। এতে এনজিওটির প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা মহিলা কলেজ রোড, বরগুনা-৮৭১০ লেখা আছে। ফরমটিতে একটি ইমেইল ঠিকানা থাকলেও তাতে কোনো ফোন নম্বর উল্লেখ নেই। ২০১২ সালের এনজিও ব্যুরোর সনদপ্রাপ্ত কথিত খলিফা ফাউন্ডেশনের একটি সনদও তাদের কাছে পাওয়া গেছে। খলিফা ফাউন্ডেশনের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহেশকাটা বাজার।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ঘোষেরপাড়া থেকে আটক বরগুণার এনজিওর মাঠকর্মী পরিচয়দানকারী ওই তিন যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৩ জুন দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’