ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

জামালপুরে চারজন ওষুধ ব্যবসায়ীকে ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি এবং ওষুধের গায়ে লেখা দাম বিকৃত করে অধিক মূল্যে ওষুধ বিক্রি করায় চারজন ওষুধ ব্যবসায়ীকে ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন জামালপুর জেলা প্রশাসনের পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১৮ জুন সকালে তারা ২৫০ শয্যার জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে এ অভিযান চালান।

জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম স্নিগ্ধা দাস ১৮ জুন সকালে জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ওষুধের দোকান মালিক মো. লুৎফর রহমানের দোকানে অভিযান চালিয়ে ওষুধের মোড়কের গায়ে লেখা দাম বিকৃত করে অধিক মূল্য লিখে রাখার প্রমাণ পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধের দায়ে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ ধারায় ওষুধ ব্যবসায়ী মো. লুৎফর রহমানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মো. লুৎফর রহমান জামালপুর পৌরসভার দেওয়ানপাড়া এলাকার মৃত জমসের আলীর ছেলে। একই ভ্রাম্যমাণ আদালত একই স্থানে ১৯৪০ সালের ড্রাগ অ্যাক্টের ১৮ (ক) ও ২৭ ধারায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে মিতা মেডিক্যাল হলের মালিক মো. বজলুর রহমানকে এক হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। মো. বজলুর রহমান জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া গ্রামের মৃত মীর হোসেনের ছেলে।

অপরদিকে নির্বাহী হাকিম মো. আবু আব্দুল্লাহ খানের নেতৃত্বে অন্য একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের দল ব্রহ্মপুত্র চরের ওই ওষুধ মার্কেটে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ওষুধ ব্যবসায়ী মো. নুরুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা এবং মো. জাকির হোসেনকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন। মো. নুরুল ইসলাম মেলান্দহ উপজেলার রায়ের বাকাই গ্রামের মো. শহিদ আলীর ছেলে এবং মো. জাকির হোসেন জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া গ্রামের মৃত সমেজ আলীর ছেলে।

জামালপুরের এনডিসি (নেজারত) ও নির্বাহী হাকিম মো. আবু আব্দুল্লাহ খান জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

জামালপুরে চারজন ওষুধ ব্যবসায়ীকে ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ০৯:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি এবং ওষুধের গায়ে লেখা দাম বিকৃত করে অধিক মূল্যে ওষুধ বিক্রি করায় চারজন ওষুধ ব্যবসায়ীকে ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন জামালপুর জেলা প্রশাসনের পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১৮ জুন সকালে তারা ২৫০ শয্যার জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে এ অভিযান চালান।

জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম স্নিগ্ধা দাস ১৮ জুন সকালে জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ওষুধের দোকান মালিক মো. লুৎফর রহমানের দোকানে অভিযান চালিয়ে ওষুধের মোড়কের গায়ে লেখা দাম বিকৃত করে অধিক মূল্য লিখে রাখার প্রমাণ পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধের দায়ে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ ধারায় ওষুধ ব্যবসায়ী মো. লুৎফর রহমানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মো. লুৎফর রহমান জামালপুর পৌরসভার দেওয়ানপাড়া এলাকার মৃত জমসের আলীর ছেলে। একই ভ্রাম্যমাণ আদালত একই স্থানে ১৯৪০ সালের ড্রাগ অ্যাক্টের ১৮ (ক) ও ২৭ ধারায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে মিতা মেডিক্যাল হলের মালিক মো. বজলুর রহমানকে এক হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। মো. বজলুর রহমান জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া গ্রামের মৃত মীর হোসেনের ছেলে।

অপরদিকে নির্বাহী হাকিম মো. আবু আব্দুল্লাহ খানের নেতৃত্বে অন্য একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের দল ব্রহ্মপুত্র চরের ওই ওষুধ মার্কেটে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ওষুধ ব্যবসায়ী মো. নুরুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা এবং মো. জাকির হোসেনকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন। মো. নুরুল ইসলাম মেলান্দহ উপজেলার রায়ের বাকাই গ্রামের মো. শহিদ আলীর ছেলে এবং মো. জাকির হোসেন জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া গ্রামের মৃত সমেজ আলীর ছেলে।

জামালপুরের এনডিসি (নেজারত) ও নির্বাহী হাকিম মো. আবু আব্দুল্লাহ খান জামালপুর সদর হাসপাতালের সামনে ব্রহ্মপুত্র চরের ওষুধ মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।